ফের ভয়াবহ অবস্থা দেখা দিয়েছে সিলেটের জকিগঞ্জ-কানাইঘাট উপজেলায়। প্রথম দফা বন্যায় সুরমা-কুশিয়ারা নদীর অন্তত ১৫ স্থানে ভেঙে যাওয়া ডাইক মেরামত না করায় ভাঙা ডাইক দিয়ে ফের প্রবল বেগে পানি ঢুকছে
দিনভর বৃষ্টি আর উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে হবিগঞ্জের কালনী-কুশিয়ারাসহ বিভিন্ন নদ নদীর পনি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এরই মধ্যে আজমিরীগঞ্জের পিরোজপুর অংশে কালনী-কুশিয়ারা নদীর বাঁধ ডুবে পানি হাওরে প্রবেশ
ভয়াবহ বন্যায় সিলেটের নিম্নাঞ্চল ক্রমাগত প্লাবিত হচ্ছে। শুক্রবার (১৭ জুন) বিকেল পযন্ত এ ধারা অব্যাহত ছিলো। ফলে বিপাকে পড়েন প্রান্তিক পর্যায়ের পানিবন্দি মানুষ। বন্যা কবলিত এলাকার এসব মানুষকে নিরাপদ স্থানে
সিলেটে বন্যা পরিস্থিতি অবনতি হওয়ায় নিরাপদ গন্তব্যে পৌঁছাতে সিলেট কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে ও রেলওয়ে স্টেশনে ভীড় করছে মানুষ। শুক্রবার (১৭ জুন) রাতে এমনই চিত্র দেখা যায় সিলেট রেলওয়ে স্টেশন
বৃষ্টি আর উজানের পানির ঢলে সিলেট জুড়ে পানিবন্দী হাজার হাজার মানুষ। শহর থেকে গ্রাম সবখানে সৃষ্ট বন্যায় প্রায় সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ। এ অবস্থায় আহত ও অসুস্থদের চিকিৎসার জন্য ঢাকা
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় বৃহস্পতিবার রাত ১২টা থেকে মুষলধারে ভারী বর্ষণ অব্যাহত রয়েছে। ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানিতে ধলাই নদী সহ উপজেলার বিভিন্ন পাহাড়ি ছড়া সমূহে
বন্যার পানি ঢুকে পড়েছে সিলেটের কুমারগাওয়ের বিদ্যুতের গ্রিড লাইনের সাব স্টেশনে। এতে পুরো সিলেট ও সুনামগঞ্জ বিদ্যুৎহীন হয়ে পরার শঙ্কা দিয়েছে। এ অবস্থায় সিলেটের বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে কাজ করছে
ভারী বৃষ্টি ও উজানের পাহাড়ি ঢলে সিলেটে আবারো বন্যা দেখা দিয়েছে। সীমান্তবর্তী বিভিন্ন উপজেলাসহ নগরীর নিচু এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়েছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন সিলেট সদর উপজেলার ৩নং খাদিমনগর ইউনিয়নের
সিলেটে বিদ্যুৎ উপ কেন্দ্র বন্যা কবলিত হওয়ার পর এবার ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়েতে চলে এসেছে পানি। ফলে ওসমানী বিমানবন্দরে বিমান উঠানামা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (১৭ জুন) বিকাল থেকে
বন্যাকবলিত সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরে ঘুরতে গিয়ে আটকা পড়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একটি দল। কয়েকজন ছাত্রীসহ এই দলে ২১ জন শিক্ষার্থী আছে। খাবার, সুপেয় পানি, ওষুধসহ নানা সংকটে পড়া এসব শিক্ষার্থী