গত কয়েক দিন যাবত অবিরাম ভারীবর্ষন এবং পাহাড়ি ঢলের কারণে ক্রমাগত পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় সিলেট জেলার বন্যা কবলিতদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করেছে ৪৮ বিজিবি। এছাড়া আটকে পড়া বানভাসিদের উদ্ধার কাজ
বৃষ্টিপাত না হওয়ায় এবং নদ-নদীর পানি কমায় সুনামগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। শহরের প্রধান রাস্তাঘাট পানির নিচ থেকে ভেসে উঠছে। শুক্রবার (২৪ জুন) সকাল ৯টায় সুরমা নদীর পানি বিপৎসীমার ১৩
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, দুটি কারণে এখানে আসা। সেনাবাহিনীর সদস্যদের কাজ দেখা এবং কি কি কাজ করা যায় সেটা। এখানে সরকারের প্রতিটি বিভাগ নিজে নিজে
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর ও জেলা সদরে বন্যায় কবলিত সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষের মধ্যে ত্রান সামগ্রী বিতরণ করবে সুনামগঞ্জ-২৮ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) হেলিকাপ্টার যোগে সীমান্তের বিভিন্ন বিওপিতে ত্রান সামগ্রী
ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত সুনামগঞ্জবাসীর মধ্যে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছেন পুলিশের আইজিপি ড. বেনজির আহমদ। বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে জেলার বন্যা দুর্গত এলাকা তাহিরপুর
বৃষ্টি আর ঢলের পানিতে আসা বন্যায় হঠাৎ করে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল একটার পর একটা জনপদ। পানিবন্দী হয়ে পড়ে গ্রামের পর গ্রাম। প্রাণ বাঁচাতে ছুটতে থাকা মানুষ একপর্যায়ে খাওয়ার কষ্টেও পড়ে।
সিলেটসহ দেশের ১৭টি জেলা বন্যাদুর্গত। নিম্নাঞ্চল থেকে শুরু করে শহরের বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে ডুবে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন এসব জেলার মানুষ। থাকার জায়গা, খাবার, পানি, বিদ্যুৎ সংকটে মানবেতর অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন
সুনামগঞ্জে বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছিল ৮০ শতাংশের বেশি জায়গা। তাতে মৃতদের দাফন করার জন্য জায়গা পর্যন্ত ছিল না। বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর মরদেহ দাফনের কাজ শুরু হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায়
স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় পানিবন্দী রয়েছেন জেলার অন্তত ২৫ লাখ মানুষ। গেল ৭ দিন ধরে খাদ্য, পানি, আশ্রয়হীন অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন হাজার হাজার পরিবার। বন্যার পানিতে সব হারিয়ে আশ্রয় কেন্দ্রে
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় বন্যায় কবলিত আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা বানবাসী মানুষজনের মধ্যে উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ত্রান-সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার (২২ জুন) বিকেলে উপজেলার ৩ নং বড়দল দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের আওতাধীন