দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি পরিদর্শন শেষে আজ মঙ্গলবার সিলেট ও সুনামগঞ্জের জন্য ১ কোটি ২০ লাখ টাকা বিশেষ বরাদ্দ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মো. মোশাররফ হোসেন এই
বন্যা পরিস্থিতিতে সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা জেলায় মোট ২,৫২৮টি সাইটের মধ্যে ৭০৩টি সাইট (টাওয়ার) বিদ্যুৎ-বিচ্ছিন্ন হয়ে নেটওয়ার্কের আওতার বাইরে রয়েছে। ইতোমধ্যে ৯৮৪টি অচল সাইট অপারেটরদের প্রচেষ্টায় সচল করা হয়েছে। অবশিষ্ট অচল
সুনামগঞ্জে ত্রাণ নিয়ে আসতে চাইলে বাস ভাড়া ফ্রি করে দিয়েছে সুনামগঞ্জ-সিলেট সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি। মঙ্গলবার (২১ জুন) রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সুনামগঞ্জ-সিলেট সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি’র পক্ষ থেকে ঘোষণা
সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার পৌর শহর বাজারের রাস্তাঘাট-দোকান ডুবে গিয়েছিল বন্যার পানিতে। সেই পানি গতকাল সোমবার কিছুটা কমেছে। আজ মঙ্গলবার সকালের দিকে মূল সড়কের পানি পুরোপুরি নেমে গেছে। তবে বাজারে অলিগলিতে
সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে ত্রাণ নিতে গিয়ে আহত বিপ্লব মিয়া (৫০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। বিপ্লব মিয়া উপজেলার উজান তাহিরপুর গ্রামের মৃত আব্দুস শহীদের ছেলে। পরিবার সূত্রে জানা যায়, সোমবার দুপুর ১২টায়
সিলেট বিভাগে বন্যায় ২২ জনের মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়। পরিচালক হিমাংশু লাল রায় বলেন, ‘এ পর্যন্ত বন্যায় সিলেট বিভাগে ২০ জনের মৃত্যুর তথ্য আমরা পেয়েছি। এর
বন্যা কবলিত সুনামগঞ্জ শহরে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়েছে। চারদিন পর সোমবার বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটের দিকে হাসপাতাল, কারাগার, ডিসি অফিস ও সদর থানাসহ শহরের ৫০ শতাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ এসেছে। এর
সিলেট ও সুনামগঞ্জ থেকে আসা বন্যার্তদের কাছ থেকে বাড়তি বাস ভাড়া নেয়ার অভিযোগে ৪টি বাসের চালক ও কন্ডাক্টরসহ ৮ জনকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন হবিগঞ্জ মোটর
আকস্মিক বন্যায় উদ্ধার, ত্রাণসামগ্রী এবং জরুরি চিকিৎসাসেবা সংক্রান্ত সেবা চেয়ে ১৬ জুন থেকে ২০ জুন পর্যন্ত চার দিনে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করেছেন অসহায় হয়ে পড়া প্রায় এক হাজার
চারদিন পর সুনামগঞ্জ শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়েছে। সোমবার (২০ জুন) সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে শহরের অর্ধেক এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়। সুনামগঞ্জ বিদ্যুৎ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মশিউর