বন্যাকবলিত দেশের পূর্বাঞ্চলে বাড়ছে পানিবন্দি মানুষের সংখ্যা। সিলেট-সুনামগঞ্জে বিদ্যুৎহীন প্রায় দুই লাখ পরিবার। এই দুই জেলার বিভিন্ন উপজেলার সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। পরিস্থিতি মোকাবেলায় সিলেটে সেনা মোতায়েন হয়েছে আগেই। তারপর
ভয়াবহ বন্যায় সিলেট বিভাগের ১৬ উপজেলা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এতে বিপাকে পড়েছেন কয়েক লাখ মানুষ। শুক্রবার বিষয়টি নিশ্চিত করে সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন বলেন, গ্রিডে সমস্যা হওয়ায়
ফের ভয়াবহ অবস্থা দেখা দিয়েছে সিলেটের জকিগঞ্জ-কানাইঘাট উপজেলায়। প্রথম দফা বন্যায় সুরমা-কুশিয়ারা নদীর অন্তত ১৫ স্থানে ভেঙে যাওয়া ডাইক মেরামত না করায় ভাঙা ডাইক দিয়ে ফের প্রবল বেগে পানি ঢুকছে
ভয়াবহ বন্যায় সিলেটের নিম্নাঞ্চল ক্রমাগত প্লাবিত হচ্ছে। শুক্রবার (১৭ জুন) বিকেল পযন্ত এ ধারা অব্যাহত ছিলো। ফলে বিপাকে পড়েন প্রান্তিক পর্যায়ের পানিবন্দি মানুষ। বন্যা কবলিত এলাকার এসব মানুষকে নিরাপদ স্থানে
সিলেটে বন্যা পরিস্থিতি অবনতি হওয়ায় নিরাপদ গন্তব্যে পৌঁছাতে সিলেট কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে ও রেলওয়ে স্টেশনে ভীড় করছে মানুষ। শুক্রবার (১৭ জুন) রাতে এমনই চিত্র দেখা যায় সিলেট রেলওয়ে স্টেশন
বৃষ্টি আর উজানের পানির ঢলে সিলেট জুড়ে পানিবন্দী হাজার হাজার মানুষ। শহর থেকে গ্রাম সবখানে সৃষ্ট বন্যায় প্রায় সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ। এ অবস্থায় আহত ও অসুস্থদের চিকিৎসার জন্য ঢাকা
বন্যার পানি ঢুকে পড়েছে সিলেটের কুমারগাওয়ের বিদ্যুতের গ্রিড লাইনের সাব স্টেশনে। এতে পুরো সিলেট ও সুনামগঞ্জ বিদ্যুৎহীন হয়ে পরার শঙ্কা দিয়েছে। এ অবস্থায় সিলেটের বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে কাজ করছে
ভারী বৃষ্টি ও উজানের পাহাড়ি ঢলে সিলেটে আবারো বন্যা দেখা দিয়েছে। সীমান্তবর্তী বিভিন্ন উপজেলাসহ নগরীর নিচু এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়েছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন সিলেট সদর উপজেলার ৩নং খাদিমনগর ইউনিয়নের
কয়েকদিনের টানা ভারী বর্ষণ, উজানের পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত হচ্ছে সিলেটের নিম্নাঞ্চল। সুরমার পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় নগরের নিম্নাঞ্চলগুলোও আবারো বন্যা প্লাবিত হচ্ছে। বন্যার পানি থেকে বাদ যায়নি শাহজালাল বিজ্ঞান
সিলেটে বিদ্যুৎ উপ কেন্দ্র বন্যা কবলিত হওয়ার পর এবার ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়েতে চলে এসেছে পানি। ফলে ওসমানী বিমানবন্দরে বিমান উঠানামা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (১৭ জুন) বিকাল থেকে