আজ সোমবার থেকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে রাত ৮টার পর সারাদেশে দোকান, বিপণিবিতান, মার্কেট ও কাঁচাবাজার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। রোববার বিকেলে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক
বিদ্যুৎ সরবরাহ ও মোবাইল নেটওয়ার্ক সচল হওয়ার পর থেকে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন এলাকা থেকে বানের পানিতে মৃত্যুর খবর আসছে। গতকাল রোববার রাত পর্যন্ত সিলেট সদরে ৩ জন, সুনামগঞ্জের ছাতকে ৩জন,
টানা বৃষ্টিতে সিলেটের বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটছে। মুরারিচাঁদ কলেজ (এমসি কলেজ) অধ্যক্ষের বাংলো সংলগ্ন থেকারের টিলা ধসে পড়েছে। এতে কোনো প্রাণহানি না হলেও টিলাটির ব্যাপক অংশের ক্ষয়ক্ষতি
চারদিকে থইথই পানি। প্রবাহিত হচ্ছে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায়। রাস্তার উপর দিয়ে বহমান পানির আঁচড় লাগছে মানুষের শরীরে। মানুষও দিব্যি হেসে-খেলে চলছে এখান থেকে ওখানে, প্রয়োজনে কিংবা অপ্রয়োজনে। এরই
সিলেটের সবকটি অঞ্চল বন্যায় প্লাবিত। সব জায়গা পানিতে টইটম্বুর। পানিবন্দি থেকে জীবনযাপন হয়ে উঠেছে দুর্বিষহ। মানুষ ঘর ছেড়ে উঠেছে নিরাপদ আশ্রয়ে। তবে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের মনে
সিলেট ও সুনামগঞ্জে পানিতে তলিয়ে গেছে বিভিন্ন ব্যাংকের এটিএম বুথ। ব্যাংকের শাখাগুলো রোববার খোলেনি। যেসব ব্যাংকের শাখা নিচতলায়, সেগুলো পানিতে ডুবে গেছে। তবে যেসব শাখা দোতলা ও তিনতলায়, সেসব শাখা
টানা বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে গেছে সুনামগঞ্জ জেলা। পাশাপাশি প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যের লীলাভূমি সিলেটের ৮০ শতাংশ জায়গাও বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। চারদিকে শুধু মানুষের হাহাকার, যতদূর চোখ যায় শুধু পানি
সেনা প্রধান এসএম শফিউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, এখন কাজের সময়। এমন একটি বিপর্যয়ের জন্য আমরা প্রস্তুত ছিলাম না। আপনারা জানেন, বন্যা বহু বছরের রেকর্ড ভঙ্গ করেছে। বিপর্যয় এমন একটা পরিস্থিতির সৃষ্টি
সিলেট জেলা বিএনপি সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, মাত্র ১ মাসের মধ্যেই দ্বিতীয় দফায় ভয়াবহ বন্যায় প্লাবিত হলো সিলেট অঞ্চল। এই বন্যার শুরু থেকেই বানবাসী মানুষদের উদ্ধার করতে এবং ত্রাণ
টানা তিন দিন ভারী বর্ষণ ও উজানের পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যা কবলিত হওয়ার পর আজ রোববার থেকে পানি কমতে শুরু করছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) ক্যাম্পাসে। কর্তৃপক্ষ বলছেন,