দফায় দফায় ভূমিকম্পে কাঁপলো সিলেট। চারদফা ভূমিকম্পের কারণে নগরজুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত ৪ বার ভূমিকম্প অনুভূত হয়। বার বার ভূমিকম্পের ফলে নগরবাসীর
সিলেটে ঘন ঘন ভূমিকম্প হওয়ার কারণে হেলে পড়লো ছয় তলা বিশিষ্ট দু’টি ভবন। সিলেট নগরের ৮নং ওয়ার্ডের পাঠানটুলা দর্জিবাড়ী এলাকার ৬ তলা বিশিষ্ঠ ভবন দু’টি হেলে পড়ে। পাঠানটুলা পল্লবী ব্লক-সি-১৬
ঘন ঘন ভূমিকম্পের কারণে পরিস্থিতি মোকাবেলায় সতর্কতামুলক ব্যবস্থা গ্রহণের জরুরী সভা করেছে সিলেট সিটি কর্পোরেশন। স্থানীয় প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তর ও শাখার লোকজনের সঙ্গে নিয়ে শনিবার (২৯ মে) বিকেলে নগরভবনে এ
ভূমিকম্প আতঙ্কে সিলেটে বহুতল ভবনের বাসিন্দারা।ভূমিকম্পের অনেকে বাসা ছেড়ে অন্যত্র টিনশেডের বাসায় আশ্রয় নিচ্ছেন। কেউবা পরিবারের লোকজনকে বাসা থেকে গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়ে দিতে দেখা যায়। শনিবার (২৯ মে) সকাল
ফের ভূমিকম্পে কাঁপলো সিলেট। শনিবার পর পর তিনবার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠার পর বেলা ২টায় আবারো ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।সর্বশেষ ভূমিকম্পে প্রবল ঝাঁকুনির ফলে মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক দেখা দেয়। অবশ্য
পর পর তিনবার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো সিলেট। ভূমিকম্পে প্রবল ঝাঁকুনির ফলে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়। অবশ্য এতে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। শনিবার (২৯ মে) সকাল ১০টা ৩৬
এক ঘন্টার ব্যবধানে পর পর তিনবার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো সিলেট। ভূমিকম্পে প্রবল ঝাঁকুনির ফলে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়। অবশ্য এতে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। শনিবার (২৯ মে)সকাল ১০টা
ঘূর্ণিঝড় ইয়াস উপকূল অতিক্রম করার সময় উপকূলীয় এলাকাগুলোতে ১০০ কিমি বেগে ঝড়ের সঙ্গে অতিভারী বর্ষণ হতে পারে। একই সঙ্গে পূর্ণিমার প্রভাব থাকায় স্বাভাবিকের চেয়ে ২ থেকে ৪ ফুট অধিক উচ্চতার
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া সুষ্পষ্ট লঘুচাপটি নিম্নচাপে রূপ নিয়েছে। সোমবার সকালে এটি আরও শক্তি সঞ্চয় করে রূপ নেবে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে। আবহাওয়াবিদ মো. শহীদুল ইসলাম জানান, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় সৃষ্টি
সিলেটের সীমান্তবর্তী উপজেলা গোয়াইনঘাটে বজ্রপাতেবাবুল মিয়া) ৩৩) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। নিহত বাবুল মিয়া উপজেলার কাকুনাখাই গ্রামের মৃতআব্দুল হকের ছেলে। ঘটনার সময় তিনি ক্ষেতের জমিতে কাজ করছিলেন।