সিলেটের দফায় দফায় ভূকম্পন মানবসৃষ্ট নাকি প্রাকৃতিক তা অনুসন্ধানে ঢাকা থেকে সিলেটে আসেন একদল বিশেষজ্ঞ। টানা তিন দিন অনুসন্ধান চালিয়ে রোববার ঢাকা ফিরেছে পাঁচ সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ দল। বাংলাদেশ তেল,
উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় একটি লঘুচাপ বিরাজ করছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের উপর মোটামুটি সক্রিয় অবস্থায় রয়েছে।এর ফলে আগামী ১৪ থেকে ১৬ জুন বেশি বর্ষণ হবে। আবহাওয়াবিদ এ কে
সিলেট নগরের ২৭টি ওয়ার্ডের ৪২ হাজার ভবনে সমীক্ষা চালিয়ে কতটি ভবন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে, সেসব চিহ্নিত করবে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ও অধ্যাপকদের একটি দল।
নতুন ফল্ট লাইন সক্রিয় ভৌগোলিকভাবে সিলেটের অবস্থান এমন এক স্থানে, যার কাছাকাছি এলাকায় ভূগর্ভে রয়েছে ভয়ংকর বিপদের আভাস। বাংলাদেশে ভূমিকম্পের সবচেয়ে বিপজ্জনক দুটি উৎসের অন্যতম ‘ডাউকি ফল্টের’ কাছেই পড়েছে সিলেট।
আতঙ্কের মধ্যে সিলেটে ফের ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যার দিকে দুই দফা ভূমিকম্প অনুভূত হয়। সন্ধ্যা ৬টা ২৯ ও ৬টা ৩০ মিনিটে ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে সিলেট। এসময় নগরজুড়ে আতঙ্ক দেখা
বজ্রপাতে সারাদেশে ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (০৬ জুন) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বজ্রপাতে এ প্রাণহানি হয়।বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া, শাহজাদপুর ও বেলকুচি উপজেলায় বজ্রপাতে স্কুলছাত্রসহ পাঁচ জনের
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের উদ্দোগে ঘন ঘন ভূমিকম্পের কারণে সৃষ্ঠ পরিস্থিতিতে ভবিষ্যৎ করণীয় সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত সম্পর্কিত ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১ জুুন ২০২১ খ্রি.) সন্ধ্যা ৭টায় অনুষ্ঠিত সভায়
সতর্ক থাকার পরামর্শ একইদিনে পরপর চারবার ভূমিকম্পে কাঁপিয়েছে সিলেটকে। উদ্বেগ-আতঙ্ক ছড়িয়েছে সবখানে। আতঙ্কে ঘর ছেড়ে বেরিয়েছে মানুষ। দফায় দফায় এ ভূ-কম্পণের ঘটনাটি ঘটে শনিবার (২৯ মে)। এরপর ‘বড় ভূইছাল’ আতঙ্ক
সিলেটে দু’দিন দফায় দফায় ভূমিকম্প হওয়ার পর বড় ধরনের ভূমিকম্পের আশঙ্কা থাকায় ভূমিকম্প প্রস্তুতি সচেতনতা কমিটির জরুরি সভা ডেকেছে সরকার। আগামী মঙ্গলবার (১ জুন) বিকেল ৩টায় জুম প্ল্যাটফর্মে ভূমিকম্প প্রস্তুতি
আবারো ভূমিকম্পে কাঁপলো সিলেট। এ নিয়ে টানা দ্বিতীয় দিন ভূমিকম্প হলো। রোববার (৩০ মে) ভোর ৪ টা ৩৬ মিনিটে ভূমিকম্প অনুভুত হয়। এতে সিলেট জুড়ে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। তবে ভোর