বিদ্যুৎ সরবরাহ ও মোবাইল নেটওয়ার্ক সচল হওয়ার পর থেকে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন এলাকা থেকে বানের পানিতে মৃত্যুর খবর আসছে। গতকাল রোববার রাত পর্যন্ত সিলেট সদরে ৩ জন, সুনামগঞ্জের ছাতকে ৩জন,
সিলেট নগরীতে বন্যার পানিতে বিদ্যুতায়িত হয়ে মনির হোসেন নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। নিহত মনির নগরীর করিম উল্লাহ মার্কেটের ওয়েস্টার্ন শপের মোবাইল টেকনিশিয়ান। গতকাল রোববার বেলা ১১ টায় এসএমসি’র জালালাবাদ
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় বন্যার পানিতে ডুবে সুমাইয়া (৯) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১৯ জুন) বিকেলে পৌরসভার আদিত্যের মহাল এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এর আগে শনিবার দুপুরে স্বজনদের
হবিগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে হবিগঞ্জে খোয়াই নদীর পানি অব্যাহতভাবে বাড়ছে আর প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা। ইতোমধ্যে বাল্লা সীমান্তে বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। বন্যায় নতুন
টানা বৃষ্টিতে সিলেটের বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটছে। মুরারিচাঁদ কলেজ (এমসি কলেজ) অধ্যক্ষের বাংলো সংলগ্ন থেকারের টিলা ধসে পড়েছে। এতে কোনো প্রাণহানি না হলেও টিলাটির ব্যাপক অংশের ক্ষয়ক্ষতি
চারদিকে থইথই পানি। প্রবাহিত হচ্ছে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায়। রাস্তার উপর দিয়ে বহমান পানির আঁচড় লাগছে মানুষের শরীরে। মানুষও দিব্যি হেসে-খেলে চলছে এখান থেকে ওখানে, প্রয়োজনে কিংবা অপ্রয়োজনে। এরই
মৌলভীবাজার জেলার ১০ ইউপির ২০০ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে জেলার এক লাখ ৬০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এসব তথ্য জানিয়েছেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অর্ণব মালাকার। জানা গেছে, জেলার
সিলেটের সবকটি অঞ্চল বন্যায় প্লাবিত। সব জায়গা পানিতে টইটম্বুর। পানিবন্দি থেকে জীবনযাপন হয়ে উঠেছে দুর্বিষহ। মানুষ ঘর ছেড়ে উঠেছে নিরাপদ আশ্রয়ে। তবে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের মনে
সিলেট ও সুনামগঞ্জে পানিতে তলিয়ে গেছে বিভিন্ন ব্যাংকের এটিএম বুথ। ব্যাংকের শাখাগুলো রোববার খোলেনি। যেসব ব্যাংকের শাখা নিচতলায়, সেগুলো পানিতে ডুবে গেছে। তবে যেসব শাখা দোতলা ও তিনতলায়, সেসব শাখা
বন্যার কারণে হবিগঞ্জের ৩ উপজেলায় প্রায় দেড় শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যাই বেশি। শিক্ষা বিভাগ থেকে জানা গেছে, এরই মধ্যে ৭৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত