দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ২০১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ১৫ হাজার ৫৯৩ জনের। নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ১১ হাজার ১৬২ জন।
মহামারি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে একদিনে সিলেটে আবারো ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গত বছরের এপ্রিল থেকে এ বছরের ৭ জুলাই পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ৫০২ জনে পৌছালো। গত
সিলেটের সীমান্তবর্তী অঞ্চল কোম্পানীগঞ্জের একটি হাওরে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে প্রনেশ বিশ্বাস (২৫) ও দিগেস বিশ্বাস (২২) নামে দুই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৭ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে
করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে টানা দুই মাস নয় দিন বন্ধ থাকার পর তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ জুলাই) দুপুর থেকে তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে পুনরায় দু’দেশের মধ্যে এ
কঠোর লকডাউনের ৬ষ্ট দিন- কঠোর লকডাউনের ৬ষ্ট দিনেও মাঠে সরব ছিল প্রশাসন। সেই সঙ্গে সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাব-পুলিশ ও আনসার সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে চৌকি বসিয়ে তল্লাসী চালিয়েছে। মানুষকে ঘরে রাখতে আইনশৃঙ্খলা
এ বছরে একদিনে সিলেটে সর্বোচ্চ করোনা আক্রান্ত হয়েছেন মঙ্গলবার ৩৮৭ জন। লকডাউনের মধ্যেই আক্রান্তের এই সংখ্যা কপালে ভাঁজ ফেলেছে চিকিৎসকসহ সংশ্লিষ্টদের। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ একটাই মানুষকে স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মেনে চলতে
করোনার ভয়ঙ্কর থাকা বসাতে যাচ্ছে উত্তরপূর্ব সীমান্ত অঞ্চল সিলেটে। পর্যায়ক্রমে বেড়েই চলেছে আক্রান্তের সংখ্যা। এরইমধ্যে হাসপাতালগুলোতে আইসিইউ সংকট দেখা দিয়েছে। সেই সঙ্গে প্রতিনিয়ত রোগির সংখ্যা বাড়ায় শয্যা সংকট দেখা দিয়েছে
সিলেট নগরীর বেশ কিছু এলাকায় মেরামত ও সংরক্ষন কাজের জন্য আগামী ৫ দিন ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হবে। সোমবার (০৫ জুলাই) এক বিজ্ঞতিতে এ তথ্য জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিতরণ
কঠোর লকডাউন স্বত্বেও করোনাভাইরাস যেনো ভয়ঙ্কর রূপ নিচ্ছে সিলেটেও। সোমবার (০৫ জুলাই) দুপুর পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়ে আরো ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২৫৩ জন।
করোনার ভয় নেই। বিধিনিষেধ অমান্য করায় শাস্তির ভয় যেনো কেটে গেছে মানুষের। ফলে কঠোর লকডাউনের ৫ম দিনে সিলেট অনেকটা ঢিলেঢালা কাটছে। সোমবার (০৫ জুন) আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে তৎপর থাকলেও