সিলেটে বন্যা পরিস্থিতি অবনতি হওয়ায় নিরাপদ গন্তব্যে পৌঁছাতে সিলেট কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে ও রেলওয়ে স্টেশনে ভীড় করছে মানুষ। শুক্রবার (১৭ জুন) রাতে এমনই চিত্র দেখা যায় সিলেট রেলওয়ে স্টেশন
বৃষ্টি আর উজানের পানির ঢলে সিলেট জুড়ে পানিবন্দী হাজার হাজার মানুষ। শহর থেকে গ্রাম সবখানে সৃষ্ট বন্যায় প্রায় সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ। এ অবস্থায় আহত ও অসুস্থদের চিকিৎসার জন্য ঢাকা
সিলেটে বিদ্যুৎ উপ কেন্দ্র বন্যা কবলিত হওয়ার পর এবার ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়েতে চলে এসেছে পানি। ফলে ওসমানী বিমানবন্দরে বিমান উঠানামা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (১৭ জুন) বিকাল থেকে
ক্রমেই অবনতি হচ্ছে সিলেট ও সুনামগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতির। সড়ক তলিয়ে সারা দেশের সঙ্গে সুনামগঞ্জের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র ও বৈদ্যুতিক খুঁটি তলিয়ে যাওয়ায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বিদ্যুৎ
ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে একের পর এক ডুবছে নগরীসহ সিলেট জেলার বিভিন্ন উপজেলার বিস্তৃর্ণ এলাকা। এতে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ে পড়েছেন সিলেটবাসী। বিগত দিনের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে বন্যায়।
টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির মুখোমুখি সিলেটবাসী। মাত্র দুইদিনের ব্যবধানেই সিলেটের ১৩টি উপজেলা বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে। দিনে এবং রাতে সমান তালে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় অজানা
এক মাসের ব্যবধানে ফের আকস্মিক বন্যা প্লাবিত সিলেট অঞ্চল। এরই মধ্যে বন্যায় প্লাবিত হয়েছে সিলেট নগরের বিভিন্ন এলাকা। নগরের উপশহর, সোবহানীঘাট, মেন্দিবাগ, তালতলা, শেখঘাট, কাজিরবাজার, ঘাসিটুল, কানিসাইল এলাকায় সুরমার পানি
সিলেটে বন্য পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। শ্রেণিকক্ষ তলিয়ে যাওয়ায় সিলেটে ২৯০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ করা হয়েছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় তলিয়ে যাওয়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েই চলেছে।বন্যার পানির কারণে সিলেটে মাধ্যমিক
পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টিপাতে বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ ধারণ করায় সুনামগঞ্জের সঙ্গে সারা দেশের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক জাহাঙ্গীর
সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। নতুন করে প্লাবিত হয়েছে আরও অনেক এলাকা। পূর্ব থেকেই প্লাবিত হওয়া এলাকায় পানি আরও বাড়ছে। এবারের বন্যায় সারা সিলেটের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হওয়ার আশঙ্কা