স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় মোকাবেলা করছেন পুরো সিলেটবাসী। বিভাগের মধ্যে সিলেট নগরী ও জেলার ৮০ ভাগ এবং সুনামগঞ্জের ৯০ ভাগের ওপরে এলাকা প্লাবিত হয়। সেই সঙ্গে মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের বিস্তীর্ণ অঞ্চল
হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে নাতির লাঠির আঘাতে নুরবানু (৬০) নামে এক বৃদ্ধা নিহত হয়েছেন। বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার রাণীগাঁও ইউনিয়নের দক্ষিণ রাণীগাঁও গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নুরবানু ওই গ্রামের মৃত জলফু মিয়ার স্ত্রী।
সুনামগঞ্জে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির দেখেছে মানুষ। ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে পাঁচ হাজার পরিবারের। এসব পরিবারের জন্য অনুদান হিসেবে ৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে
সুনামগঞ্জে বন্যার পানি থেকে জীবন বাঁচাতে ঘরবাড়ি ফেলে আশ্রয়কেন্দ্রে গিয়ে জীবন বাঁচিয়েছেন লাখো মানুষ। তবে বন্যার পানিতে হারিয়েছেন গরু, ছাগল, হাঁস, মুরগি, মহিষসহ বিভিন্ন গৃহপালিত পশু-পাখি। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,
সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতি দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। গত ১৬ জুন থেকে ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়ে মানুষের দুর্গতি পিছু ছাড়ছে না। স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় জেলায় ৯৫ ভাগ মানুষ কোনো না কোনোভাবে
হবিগঞ্জ সদরে মোবাইল কেনা-বেচা নিয়ে দু’পক্ষের দুই ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে মামুন মিয়া (২৫) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৩০ জন। আহতদের উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর
এবারের বন্যায় সিলেটসহ ১৫ জেলায় ৬ হাজার ৬৬২টি খামার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার আর্থিক মূল্য ৩৩১ কোটি ৪৩ হাজার ৭৫০ টাকা। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সিলেট বিভাগের ৪ জেলায় ৫৫৯০টি খামার।
সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে ভাড়া নিয়ে সংঘর্ষে শেখ সেলিম (৫৫) নিহতের ঘটনায় দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে ফেঞ্চুগঞ্জ থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে নিহতের ভাই শেখ ডালিম বাদী হয়ে চারজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেছেন। এ
স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত পুরো সিলেট। তৃতীয় দফা বন্যার মোকাবেলা করছেন বিভাগের চারটি জেলার লোকজন। বিশেষ করে সিলেট নগরসহ জেলার ৮০ ভাগ এবং সুনামগঞ্জের ৯০ ভাগের ওপরে এলাকা প্লাবিত হয়েছে।
সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে প্রতিপক্ষের কিল-ঘুষিতে সেলিম মিয়া (৫৫) নামে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন।বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) রাত ৮টার দিকে উপজেলার নুরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।নিহত সেলিম মিয়া উপজেলার নুরপুর গ্রামের আনর আলীর