প্রতিদিন ৫-৬ লিটার পানি পান করা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন খালি পেটে এক গ্লাস পানি পান করলে, তা হজমের ক্রিয়াকে স্বাভাবিক রাখে। তাতে পেটে গ্যাস ও পেট
ডায়াবেটিস রোগীদের সবসময়ই খাবারে রাখতে হয় বাড়তি সতর্কতা। তবে যাদের ডায়াবেটিস নেই তারা যেন ভবিষ্যতে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত না হয় তার জন্য রক্তে শর্করার মাত্রা ঠিক রাখতে পারাটাও গুরুত্বপূর্ণ। খাবারে বেশকিছু
শিশুদের কোষ্ঠকাঠিন্য হতে প্রায়ই দেখা দেয়। প্রয়োজনের তুলনায় কম পানি পানের কারণে কিংবা দুধে অনিয়ম হলে এ সমস্যা দেখা দেয়। সাধারণত সপ্তাহে ৩ বারের বেশি পায়খানা না হলে অথবা পায়খানা
বাজারে বেড়েছে ভোজ্যতেলের দাম। অনেকেই আবার স্বাস্থ্যজনিত কারণে খেতে চান না তেল। তেল ছাড়া কি খাবার রান্না করা যায়? এসব প্রশ্ন নিয়ে বিপাকে অনেকেই। তবে তেল ছাড়া যারা খাবার খেতে
দিন দিন বাড়ছে তেলের দাম। যা মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তদের জন্য বড় সমস্যার সৃষ্টি করছে। গৃহিণীরা রান্না করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন। যেহেতু আমরা সবাই জানি রান্না সুস্বাদু হওয়ার মূল মন্ত্র হচ্ছে
ঈদ মানেই নতুন পোশাক, ঈদ মানেই সুস্বাদু ও প্রিয় খাবার। ঈদের দিনে মিষ্টিমুখ করা এ ঈদের প্রধান বৈশিষ্ট্য। এছাড়া সারাদিন নানান মুখরোচক খাবারও খাওয়া হয়ে থাকে। তবে এই দিন কেবল
বাজারে এখন তরমুজের ছড়াছড়ি। গ্রীষ্মের এই ফল সবারই প্রিয়। রসালো এই ফল শরীর ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি পানিশূন্যতাও রোধ করে। তরমুজে প্রায় ৯১ ভাগই পানি। এতে ক্যালোরি কম থাকে। আবার প্রাকৃতিকভাবে
ঈদে নতুন জামার সঙ্গে নতুন জুতা না হলে কী আর চলে! কিন্তু নতুন জুতা পরলে অনেকের পায়েই ফোসকা পড়ে যায়। খুবই ব্যথা এবং যন্ত্রণায় ভুগতে হয় ফোসকা পড়লে। ফোসকা ফেটে
স্বাভাবিকভাবেই উষ্ণতা বাড়ছে। পড়ছে প্রচণ্ড গরম। টানা কয়েকদিনের তাপদাহে হাঁসফাঁস শুরু হয়েছে মানুষে। জনজীবনে নেমে এসেছে দুর্ভোগ। এই সময় অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। এক্ষেত্রে নিজেকে ও পরিবারকে সুস্থ রাখার জন্য
রোজায় ইফতারে সবাই এমন সব খাবার খান যা সহজেই ওজন বাড়িয়ে দিতে পারে। তবে যারা স্বাস্থ্য সচেতন তারা ইফতারে খাবারের প্রতি বিশেষ নজর রাখেন। তারা এমন কিছু খাবার বেছে নেন