মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার চৈত্রঘাট বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ও রহিমপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসানকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এদিকে মৃত্যুর আগে ফেসবুক লাইভে হত্যাকারীদের নাম বলে গেছেন তিনি।
এদিকে হত্যার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। যুবলীগ নেতা নাজমুল হাসানকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা মামলার বেশিরভাগ আসামি ধরাছোঁয়ার বাইরে। পুলিশ আসামিদের গ্রেফতার করতে অভিযানে নেমেছে। পরিবারের দাবি ওই যুবলীগ নেতাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় পুলিশ আসামি গাড়িচালক আমির হোসেন ও জুয়েল নামে দুইজনকে আটক করেছে এবং মাইক্রোবাস পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। ১১ জনকে আসামি করে যুবলীগ নেতা নাজমুলের পরিবার কমলগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে।
জানা যায়, রোববার দুপুরে কমলগঞ্জ উপজেলার চৈত্রঘাটে নিজ বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় মাইক্রোবাস নিয়ে এসে দুর্বৃত্তরা নাজমুলকে কুপিয়ে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় সিলেট উইমেনস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দিন সন্ধ্যার দিকে মারা যান নাজমুল।
মৃত্যুর আগে আহত অবস্থায় ফেসবুক লাইভে এসে নাজমুল নিজেই হামলাকারীদের নাম প্রকাশ করেছেন। রোববার হাসপাতালে নেয়ার সময় আহত নাজমুল ফেসবুক লাইভে জানান, ইউপি নির্বাচনে সদস্য পদে প্রার্থীতা ঘোষণার কারণেই তার ওপর হামলা।
চৈত্রঘাটের স্থানীয় কয়েকজন জানিয়েছেন, দীর্ঘ দিন ধরে এলাকায় দুইটি গ্রুপের মধ্যে বালুমহাল, আধিপত্য বিস্তার ও বাজারের দোকান ঘর নিয়ে বিরোধ চলছিল। তার জেরে গত ৮ মাসে উভয় গ্রুপের মধ্য একাধিকবার রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে আহত ও থানায় ৬টি মামলাও হয়েছে।
কমলগঞ্জ থানার ওসি ইয়ারদৌস হাসান জানান, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে আসামিদের গ্রেফতার করতে আমাদের অভিযান
সম্পাদক: এসএম নাসির উদ্দিন।
উপ সম্পাদক: দেওয়ান জাকির হোসেন।
যোগাযোগ: পশ্চিম জিন্দাবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: natunsylhetnews@gmail.com
মুঠোফোন: ০১৭১৫৫০১১৫১
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পুর্ন বে-আইনি।



