মোবাইলফোনে প্রেম। প্রেমিকের পাঠানো সিএনজি অটোরিকশায় দেখা করতে আসেন প্রেমিকা। সেখানেই ঘটে দুর্ঘটনা। বৈদ্যুতিক তারে ঝলসে গেছে শরীর। সিলেট এম এ জি ওসমানী হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন কিশোরী।
গতকাল মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার জয়চন্ডী ইউনিয়নে ঘটনাটি ঘটে। জানা যায়, জুড়ী উপজেলার রানীমোড়া নামক গ্রামের বাসিন্দা জামাল মিয়ার মেয়ে সিপা বেগম (১৬)-এর সঙ্গে মোবাইলফোনে প্রেম হয় কুলাউড়া উপজেলার জয়চন্ডী ইউনিয়নের বাসিন্দা জীবনের সঙ্গে। সেই সুবাদে প্রেমিক দেখা করতে একটি সিএনজি অটোরিকশা পাঠায় প্রেমিকাকে আনতে। প্রেমিকের পাঠানো সিএনজি অটোরিকশায় চড়ে একই গ্রামের খালাতো বোন তানজিনাকে নিয়ে প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে আসেন সিপা বেগম। দেখা ও কথার একপর্যায়ে ঝগড়া বাঁধে উভয়ের মধ্যে। একপর্যায়ে জয়চন্ডী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের পেছনে উঁচু টিলা পাশ দিয়ে প্রবাহিত পল্লী বিদ্যুতের ১১ কেভি লাইনের উপর পড়েন সিপা বেগম
তাৎক্ষণিক বিকট শব্দে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ হয়ে যায়।
এ ঘটনা দেখে স্থানীয় শিশুদের চিৎকারে আশপাশের মানুষ ছুটে এসে সিপা বেগমকে উদ্ধার করে কুলাউড়া হাসপাতালে ভর্তি করেন। সিপা বেগমের গলা থেকে কোমর পর্যন্ত বিদ্যুতের আগুনে ঝলসে গেছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আহত সিপা বেগমের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে সিলেট ওসমানী হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে রেফার্ড করেছেন। তবে সিপা বেগমকে আনতে যাওয়া সিএনজি অটোরিকশা ও তার খালাতো বোন তানজিনাসহ প্রেমিক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। ফলে ঘটনার মূল রহস্য জানা সম্ভব হয়নি। এদিকে কুলাউড়া থানার এস আই মহসিন খবর পেয়ে কুলাউড়া হাসপাতালে যান। তিনি জানান, সিপার দেয়া মোবাইল নম্বর অনুসারে তার মা ও মামাকে জানানো হলেও বিকাল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত প্রায় ৪ ঘণ্টা অতিবাহিত হলেও পরিবারের কেউ আসেনি। সিপা বেগমও অসংলগ্ন কথাবার্তা বলছে। পরিবারের লোকজন এলে পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সম্পাদক: এসএম নাসির উদ্দিন।
উপ সম্পাদক: দেওয়ান জাকির হোসেন।
যোগাযোগ: পশ্চিম জিন্দাবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: natunsylhetnews@gmail.com
মুঠোফোন: ০১৭১৫৫০১১৫১
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পুর্ন বে-আইনি।



