সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা, সিলেট ,ছাতক, জকিগঞ্জে সহ এক হাজার ভানবাসী পরিবারের মধ্যে ত্রান-সামগ্রী বিতরণ করেছে ‘সোনারগাঁও জার্নালিস্ট ক্লাব’। শনিবার (২ জুলাই) ভোর সকাল হতে ছাতক, জকিগঞ্জ, সিলেটে ও সুনামগঞ্জের তাহিরপুর
সুনামগঞ্জে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির দেখেছে মানুষ। ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে পাঁচ হাজার পরিবারের। এসব পরিবারের জন্য অনুদান হিসেবে ৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে
গত দুদিন পর সিলেট-সুনামগঞ্জে আবারও কমতে শুরু করেছে সুরমা নদীর পানি। গতকাল শুক্রবার থেকে থেমে থেমে বৃষ্টি হলেও সকাল থেকে এসব নদ-নদীর পানি কমতে দেখা গেছে। আবার দুপুরে আকাশে সূর্যের
সুনামগঞ্জে বন্যার পানি থেকে জীবন বাঁচাতে ঘরবাড়ি ফেলে আশ্রয়কেন্দ্রে গিয়ে জীবন বাঁচিয়েছেন লাখো মানুষ। তবে বন্যার পানিতে হারিয়েছেন গরু, ছাগল, হাঁস, মুরগি, মহিষসহ বিভিন্ন গৃহপালিত পশু-পাখি। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,
দুর্ভোগ যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না সুনামগঞ্জবাসীর। বন্যা মোকাবিলা শেষে এখন পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন জেলার হাওরাঞ্চলের মানুষ। সুনামগঞ্জে ডায়রিয়া, কলেরা, আমাশয়সহ বিভিন্ন ধরনের পানিবাহিত রোগের প্রকোপ বেড়েই চলেছে। শিশু
সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতি দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। গত ১৬ জুন থেকে ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়ে মানুষের দুর্গতি পিছু ছাড়ছে না। স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় জেলায় ৯৫ ভাগ মানুষ কোনো না কোনোভাবে
স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত পুরো সিলেট। তৃতীয় দফা বন্যার মোকাবেলা করছেন বিভাগের চারটি জেলার লোকজন। বিশেষ করে সিলেট নগরসহ জেলার ৮০ ভাগ এবং সুনামগঞ্জের ৯০ ভাগের ওপরে এলাকা প্লাবিত হয়েছে।
ভারতের মেঘালয়, চেরাপুঞ্জিতে ভারি বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় সুনামগঞ্জে সুরমা নদীর পানি বাড়ছে। বৃহস্পতিবার (৩০) সকাল ৯টায় সুরমা নদীর পানি বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। এদিকে, জেলার দোয়ারাবাজার উপজেলার
বন্যায় বিপর্যস্ত সুনামগঞ্জের অনেক বানভাসি মানুষই সরকারি-বেসরকারি ত্রাণ পাচ্ছে না; আবার অনেকেই পাচ্ছে একাধিকবার। যাদের ছোট নৌকা আছে তারা বিভিন্ন স্থান থেকে ত্রাণবাহী নৌকার পিছু নিয়ে একাধিকবার আদায় করে নিচ্ছে।
এখনও বন্যার পানির দাগ মুছেনি সুনামগঞ্জের প্লাবিত এলাকা থেকে, তার মধ্যেই টানা ভারী বর্ষণে ফের আতঙ্কে দিন কাটছে বাসভাসি মানুষের। আশ্রয়কেন্দ্র ছেড়ে কিছু মানুষ বাড়িঘরে গেলেও এখনও বিশুদ্ধ খাবার পানি