সিলেট মহানগরে বন্যা পরিস্থিতি অবনতি হয়েছে। ফলে নগরীর নিম্নাঞ্চলের পানি বন্দি মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে। এমন সময় জনগণের দোরগোড়ায় প্রয়োজনীয় সেবা পৌঁছে দিতে সিটি করপোরেশনের সব কর্মকর্তা কর্মচারীর ছুটি বাতিল করা
অব্যাহত ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে সিলেট এখন বন্যা প্রবণ এলাকা। নদ-নদীর পানি বেড়ে একের পর এক ডুবছে নতুন নতুন এলাকা। গ্রামীণ জনপদের বিস্তৃর্ণ অঞ্চল, রাস্তাঘাট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পানিতে তলিয়ে
সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে হাওরে বাদাম তুলতে গিয়ে বজ্রপাতে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে।আহত হয়েছে আরো ৮ জন। বৃহস্পতিবার (১৯ মে) দুপুরে উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের সুন্দরপাহাড়ির হাওরে এ মৃত্যুর ঘটনাটি ঘটে। নিহতরা হলো-উপজেলার
টানা বৃষ্টিপাত আর পাহাড়ি ঢলের কারণে তিন দিন ধরে সিলেটে এখন বন্যা। বিভিন্ন উপজেলাসহ সিলেট নগরী এখন পানিতে টইটম্বুর। পানির নিচে রাস্তাঘাট, বাসাবাড়িতে পানি প্রবেশ করাসহ বিভিন্ন দুর্ভোগে জর্জরিত সিলেটের
সিলেট নগর অনেকেই বলে থাকেন মেগাসিটি। আগের চেয়ে পরিপাটি এ নগর। শৃঙ্খলাও ফিরেছে। স্থায়ী জলাবদ্ধতাও কমে এসেছে। তবে কেনো ডুবছে সিলেট নগর- এ প্রশ্ন এখন সবার। উত্তরে মন্ত্রী সহ সংশ্লিষ্টদের
অকাল বন্যার শঙ্কায় হাওর থেকে তড়িঘড়ি করে কিছু পাকা-আধা পাকা ধান কেটে ঘরে তুলেন কৃষকরা। তাতে কিছুটা শঙ্কা কাটলেও নতুন করে দুশ্চিন্তার ভাঁজ পড়েছে কৃষকের পরিবারে। টানা বৃষ্টির কারণে রোদে
উজানের পাহাড়ি ঢল আর ভারী বৃষ্টিপাতে সিলেট জেলার ৬৭৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত এসব প্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ থাকবে। বুধবার রাত সোয়া নয়টার দিকে
বন্যায় বিপর্যন্ত সিলেট।ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি উত্তর পূর্বাঞ্চলের মানুষ। পানিতে ভাসছে নগর থেকে গ্রামগঞ্জের বাড়ি-ঘর, হাটবাজার। রাস্তাঘাট ডুবে গিয়ে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। অনেক এলাকার সঙ্গে জেলা ও উপজেলা সদরের
পাহাড়ি ঢল আর টানা বৃষ্টিতে সিলেটের ছয় উপজেলার পাশাপাশি নগরীর বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। পানিবন্দি মানুষ শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে পড়েছেন। বুধবার নগরীর আরও নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে আবুল মোমেন বলেছেন, সিলেটের প্রধান দুই নদী সুরমা ও কুশিয়ারার তলদেশ ভরাট হয়ে গেছে। এই দুই নদী খনন করতে হবে। এ ব্যাপারেও আমাদের সরকার ও প্রধানমন্ত্রী