শুধু জিতলেই হবে না, তাকিয়ে থাকতে হবে গ্রুপের আরেক ম্যাচের দিকে। সেই ম্যাচ ড্র হলেই কেবল সুযোগ থাকবে শেষ ষোলোয় উঠার। সমীকরণটা এমনই ছিল তিউনিসিয়ার জন্য। ৫৮ মিনিটে দারুণ এক
বিশ্বকাপের ‘ডার্ক হর্স’ হিসেবেই ভাবা হচ্ছিল ডেনমার্ককে। গত ইউরোতে তাদের পারফরম্যান্স নজর কেড়েছিল। সবার, আশা ছিল এবারের বিশ্বকাপেও তেমন কিছুর। কিন্তু প্রত্যাশা মেটাতে পারলো না দলটি। অস্ট্রেলিয়ার কাছে গ্রুপ পর্বের
গতবারের আসরে দ্বিতীয় রাউন্ড থেকে পর্তুগালকে বিদায় করে দিয়েছিলো উরুগুয়ে। সেই পর্তুগিজরাই এবার প্রতিশোধ নিতে নেমেছে লাতিন আমেরিকার দলটির বিপক্ষে। তবে সুবিধে করে উঠতে পারছে না ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর দল। উরুগুয়ের
নেইমারের মাঠে নামা হয়নি ইনজুরির কারণে। ব্রাজিলিয়ান এই সুপারস্টার ছাড়াই খেলতে নেমেছেন ভিনিসিয়ুস-রিচার্লিসনরা। তারা তৈরি করেছেন বেশ কয়েকটি দারুণ আক্রমণও। সুইজারল্যান্ডের জমাট রক্ষণদেয়াল ভেঙে বিরতির পর গিয়ে ডেডলক ভাঙেন ভিনিসিয়ুস;
শুরুতে গোল দিয়ে এগিয়ে গেল ক্যামেরুন। তাদের দেওয়া চমকের পর ঘুরে দাঁড়ালো সার্বিয়া। একে একে তারা গোল দিলো তিনটি। এরপর আবারও ক্যামেরুনের চমক। গোল দিয়ে ম্যাচে ফিরলো তারা। ছয় গোলের
বিশ্বকাপের অন্যরকম এক দিন আজ! তা নয়তো কী, দিনের প্রথম খেলায় রুদ্ধশ্বাস এক ম্যাচ উপহার দিয়েছে ক্যামেরুন ও সার্বিয়া। ৬ গোলের ম্যাচে জয়ের মুখ দেখেনি কেউই। ৩-৩ ব্যবধানে ড্র হয়েছে
৩৬ বছর পর দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ খেলতে এসে অভিজ্ঞতাটা বদলাতে পারল না কানাডা। এবারও গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হচ্ছে তাদের। প্রথম ম্যাচে ভালো খেলেও বেলজিয়ামের কাছে হারতে হয়েছিল ১-০ গোলে।
মহাশক্তিধর বেলজিয়ামকেই বিশ্বকাপের মঞ্চে হারিয়ে ইতিহাস গড়লো মরক্কো। অন্যদিকে হেরে শেষ ষোলো অনিশ্চিত হয়ে গেল বেলজিয়ামের। বিশ্বের দ্বিতীয় সেরা (র্যাংকিংয়ের হিসাবে) দল বেলজিয়ামের মুখোমুখি ২২ নম্বর দল মরক্কো। শক্তিমত্তার দিক
জার্মানিকে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করেছিল দক্ষিণ এশিয়ার দেশ জাপান। রোববার (২৭ নভেম্বর) জিতলে শেষ ষোলোও প্রায় নিশ্চিত হয়ে যেত ‘ব্লু সামুরাই’দের। কিন্তু তুলনামূলক সহজ প্রতিপক্ষ কোস্টারিকার কাছে হেরে বসলো তারা।
বিশ্বসেরা খেলোয়াড় তো তাদেরই বলে যারা দলের প্রয়োজনে জ্বলে উঠবেন। মেসিকে কেন তর্ক সাপেক্ষে সর্বকালের সেরা ফুটবলার বলা হয় তা যেন আরো একবার প্রমাণ করলেন তিনি। বিশ্বকাপে টিকে থাকতে হলে