‘স্ত্রীর স্বীকৃতি দাবিতে আমরণ অনশন/স্ত্রীর স্বীকৃতি না পেলে মরে যাবো/রুহিনের ঘরে যাবো নইলে বিষ খাবো’। সাদা কাগজে দাবি সংযুক্ত এমন সব লেখা পেকার্ড হাতে নিয়ে অনশন করছিলেন রেহেনা আক্তার নামের এক নারী।
শনিবার (২০ নভেম্বর) বিকেলে সিলেট নগরের কালিবাড়ি বন্ধন-১৪/ডি বাসার সামনে অনশন করতে দেখা যায় তাকে। বাসার বাসিন্দা মো. আবু হানিফের ছেলে মিছবাহুজ্জামান রুহিনকে স্বামী দাবি করেছিলেন তিনি।
আর স্ত্রীর স্বীকৃতি পেতে ছুটে এসেছেন সুদূর নারায়নগঞ্জ থেকে। শুক্রবার (১৯ নভেম্বর) সিলেটে পৌছে শনিবার (২০ নভেম্বর প্রেমিকের বাসার সামনে দাঁড়িয়ে তিনি অনশন করেন।
চাঁদপুর জেলার হাজিগঞ্জ থানার শিদনা গ্রামের মো. নুরুল ইসলামের মেয়ে রেহেনা। তার দাবি, ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয়ে ৮ মাস আগে রুহিন তাকে এফিডেভিড করে বিয়ে করেন। বিয়ে হয়েছে নারায়নগঞ্জে। সালমান নামের একজন সাক্ষি ছিলেন। বিষয়টি তার পরিবারের সদস্যদেরও জানা।


অনশনরত রেহেনা আক্তার বলেন, ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয়। অত;পর দীর্ঘদিন প্রেমের সম্পর্ক ছিলো তাদের। পরে তারা দুজন বিয়ে করেন। বিয়ের পর ৮ মাস একসঙ্গে থেকে সংসার করেছেন। কিন্তু স্ত্রী হিসেবে তাকে তুলে আনছেন না রুহিন। যে কারণে আদালতের স্মরণাপন্ন হই। রেহেনা এসময় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা মামলার কপি দেখান। (আদালতে সিআর মামলা নং- ৩৩৫/২০২১)। মামলাটি বর্তমানে পিবিআই তদন্ত করছে।
রেহেনা বলেন, রুহিনের মা (আমার শ্বাশুড়ি) মামলা না করতে কান্নাকাটি করে বারণ করেছিলেন। কিন্তু ঘরে তুলে নিচ্ছেন না। কোনো উপায় না দেখে মামলায় যেতে হলো। তবে রুহিন ঘরে তুলে নিলে মামলা তুলে নেবেন তিনি। রেহেনা বলেন, কাবিননামার মূল কপি রুহিনের কাছে। আমার কাবিনামা থাকলেও অস্পষ্ট কপি রয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে জালালাবাদ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)মো. নাজমুল হুদা খান বলেন, সপ্তাহদিন আগে ওই মহিলা রুহিনের বাসায় এসেছিলেন। সেদিন নাকি তার মা-বোনেরা তাকে হুমকি দিয়ে বের করে দিয়েছে। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরী করে গেছেন। আজ আবার তিনি এসেছেন এবং বাসার বাসিন্দা রুহিনকে স্বামী হিসেবে দাবি করছেন। তবে যেহেতু মামলাটি পিবিআই তদন্ত করছে, সত্য-মিথ্যা তারা দেখবে। আইনগত ভাবে যতটুকু সহায়তা করার সত্যতা পেলে আমরা করে যাবো।
সম্পাদক: এসএম নাসির উদ্দিন।
উপ সম্পাদক: দেওয়ান জাকির হোসেন।
যোগাযোগ: পশ্চিম জিন্দাবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: natunsylhetnews@gmail.com
মুঠোফোন: ০১৭১৫৫০১১৫১
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পুর্ন বে-আইনি।



