প্রতিবারের মতো এবারও অন্নকুট উৎসব উদযাপিত হলো ইসকন সিলেট মন্দিরে। করোনা মহামারীর এ সময়েও ভক্তবৃন্দদের সহায়তায় ২১শত আইটেম রান্না করে গিরিগোবর্ধন বা অন্নকুট উৎসবের আয়োজন করা হয়। এতে প্রচুর ভক্তবৃন্দের সমাগম ঘটে।
বিশেষ এ উৎসব উপলক্ষে আজ শুক্রবার (০৫ নভেম্বর ) ইসকন সিলেট মন্দিরের উদ্যোগে দিনব্যাপী ছিল নানা আয়োজন।সকালে গো ও ব্রাহ্মণ পূজা দিয়ে অনুষ্টান শুরু হয়। অনুষ্টান চলাকালীন হরিনাম সংকীর্তন পরিবেশন করেন মন্দিরের ব্রহ্মচারী ও আগত অন্য ভক্তবৃন্দরা।এরপর গিরিগোর্ধনপূজা, মহাপ্রসাদ বিতরণ, প্রার্থনাসহ বিভিন্ন আচার অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে অন্নকুট উৎসব উদযাপন করা হয়।অনুষ্টান শেষে উপস্থিত ভক্ত সবাই মহাপ্রসাদ গ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে আশির্বাদক হিসেবে ছিলেন ইসকন বাংলাদেশের সহ-সভাপতি ও ইসকন সিলেটের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ ভক্তি অদ্বৈত নবদ্বীপ স্বামী মহারাজ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে কণ্ঠে তুলে নেন সংকীর্তন।তাঁর চমৎকার সংকীর্তনে উৎসবের আমেজ ঢের বাড়িয়ে দেয়।
প্রোগ্রামের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বর্তমান সমাজকে আধ্যাত্মিকতার বিপর্যয়ের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য প্রত্যেককে এগিয়ে আসার আহবান জানান তিনি।
বৈদিক শাস্ত্রমতে, অন্নকুট শব্দের অর্থ অন্নের পাহাড়। এই উৎসবে গিরিরাজ গোবর্ধন এবং ব্রাহ্মণের পূজার বিধান শাস্ত্রে দেওয়া আছে। দ্বাপরযুগে এই তিথিতে ভগবান দামোদর ইন্দ্রের প্রকোপ থেকে ব্রজবাসীদের অভয় দেওয়ার জন্য গিরিরাজ গোবর্ধনের পূজা এবং ব্রাহ্মণ পূজার প্রচলন করে ছিলেন। কলিযুগে মাধবেন্দ্রপুরীপাদ পুনরায় ভগবান দামোদরকে গোবর্ধন পর্বত স্থাপন করে প্রতিষ্ঠিত করার মাধ্যমে এই উৎসবের প্রচলন করেন। তারপর ইস্কন প্রতিষ্ঠাতা আচার্য শ্রীল এ সি ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ সারা বিশ্বে গোবর্ধন পুজার প্রচলন করেন।
সম্পাদক: এসএম নাসির উদ্দিন।
উপ সম্পাদক: দেওয়ান জাকির হোসেন।
যোগাযোগ: পশ্চিম জিন্দাবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: natunsylhetnews@gmail.com
মুঠোফোন: ০১৭১৫৫০১১৫১
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পুর্ন বে-আইনি।



