ফ্রান্সের সামনে ছিল ইতিহাস গড়ার সুযোগ। ইতালি ও ব্রাজিলের পর তৃতীয় দল হিসেবে বিশ্বকাপ ট্রফি ধরে রাখতে পারতো। কিন্তু আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ফাইনাল হেরে গেলো ফরাসিরা। এই পরাজয়ে হতাশ হলেও শেষ পর্যন্ত লড়াই করায় দল মাথা উঁচু করে বিশ্বমঞ্চ ছাড়ছে বলে জানান রাফায়েল ভারানে ও উগো লরিস।
ফ্রান্স দুই গোলে পিছিয়ে থেকেও কিলিয়ান এমবাপ্পের জোড়া গোল তাদের সমতায় রাখে। অতিরিক্ত সময়ে আবার পিছিয়ে পড়লে তিনি সমতা ফেরান। কিন্তু টাইব্রেকারে কিংসলে কোম্যান ও অরেলিয়েন শুয়ামেনির মিসে ৪-২ গোলে হেরে শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট বিসর্জন দিতে হয়।
ম্যাচ শেষে ভারানে বলেছেন, ‘আমরা অবশ্যই খুব হতাশ, আমরা সবকিছু দিয়েছি। এই প্রতিযোগিতায় আমাদের অনেক বাধার মুখোমুখি হতে হয়েছিল, আমরা এতটুকু হাল ছাড়িনি। এক ঘণ্টার মতো আমরা ম্যাচে ছিলাম না। আমরাও জিততে পারতাম। আমি এই দলের ও ফরাসি হতে পেরে খুব গর্বিত। আমরা আমাদের মাথা উঁচু রাখবো। এই ম্যাচ যখন জটিল অবস্থায়, তখনও আমরা ফিরে এসেছি।’
শেষ পর্যন্ত জয়ের বিশ্বাস ছিল সবার, বললেন তিনি, ‘আমরা চাপ দিয়েছি এবং শেষ পর্যন্ত আমাদের বিশ্বাস ছিল। আমরা ম্যাচ প্রায় ঘুরিয়ে দিয়েছিলাম, অবস্থা খারাপ হলেও। এই দলের মানসিক শক্তি ছিল, বুকভরা সাহস ছিল। এটাই আমাদের ম্যাচে ফিরে আসতে সাহায্য করেছে। আমরা হতাশ কিন্তু গর্বিত।’
২-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় আর্জেন্টিনা। ৮০ ও ৮১ মিনিটে এমবাপ্পে গোল করেন। হাড্ডাহাড্ডি এই লড়াইকে ‘বক্সিং ম্যাচ’ মনে করছেন লরিস। ফরাসি গোলকিপার বললেন, ‘আর্জেন্টাইনরা দারুণ শুরু করেছিল, অনেক আগ্রাসী ছিল। ম্যাচের সব মুহূর্ত তারা কাজে লাগিয়েছে।’ এই ম্যাচের আগে পাঁচজন খেলোয়াড় ক্যামেল ভাইরাসে আক্রান্তের কারণে বেশ কয়েকটি অনুশীলন সেশনে থাকতে পারেননি। এই হারের জন্য খেলোয়াড়দের অসুস্থতাকে অজুহাত দেখাননি অধিনায়ক, ‘আমরা কোনও অজুহাত দিচ্ছি না, আমরা সবটা দিয়েছি। এই ছেলেদের অভিনন্দন জানানো উচিত কারণ আমরা শেষ পর্যন্ত হাল ছাড়িনি।’
সম্পাদক: এসএম নাসির উদ্দিন।
উপ সম্পাদক: দেওয়ান জাকির হোসেন।
যোগাযোগ: পশ্চিম জিন্দাবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: natunsylhetnews@gmail.com
মুঠোফোন: ০১৭১৫৫০১১৫১
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পুর্ন বে-আইনি।



