শান্তিগঞ্জ উপজেলার সর্বস্তরের জনগণ ও নেতাকর্মীদের দাবি উপজেলা আওয়ামীলীগের হাসনাত হোসেন সেক্রেটারি।
পরিকল্পনা মন্ত্রীর উন্নয়নের হাতকে শক্তিশালী করতে দিন রাত পরিশ্রম করে যাওয়া ব্যাক্তিত্বের নাম হাসনাত হোসেন। বৃহত্তর সুনামগঞ্জের রাজনীতির উঠান খ্যাত শান্তিগঞ্জ উপজেলা তথা শান্তিগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গনে ছাত্রলীগ-যুবলীগ,কৃষক লীগ স্বেচ্ছাসেবক লীগ আওয়ামী লীগের হাজারো নেতা কর্মীরা যার আশ্রয়স্থলে স্থান পেয়ে নিজেকে ধন্য মনে করে।যেই মানুষটা নেতাকর্মীদের নিজের আপন ভাইয়ের মত মায়ের মতো করে বুকে আগলে রাখেন, রাজনৈতিক মাঠে যার হুংকারে ক্ষেপে উঠে পরাশক্তির দল। একসময় শান্তিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগ বলতে নাম মাত্র আওয়ামীলীগ ছিলো, কারো ডাকে কেউ আসতো না, ছিলোনা কোন কার্যক্রম, সেই দূর্দিন থেকে তুলে এনে শান্তিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগ কে প্রাণ ফিরিয়ে দেয়া ব্যক্তির নাম হাসনাত হোসেন।
যার যোগ্য নেতৃত্বে শান্তিগঞ্জ উপজেলায় ঘরে উঠেছে হাজার হাজার নেতাকর্মীর বিরাট বহর। যিনি জীবনের প্রতিটা বাকে বাকে শতসহস্র বাধা বিপত্তি ডিঙিয়ে আজ শান্তিগঞ্জ উপজেলার সফল সংগঠক ।যিনি উপজেলা পর্যায়ে সফল রাজনীতিক হওয়ার সাথে সাথে এলাকার সকল শ্রেণি পেশার মানুষের কাছেই সমান জনপ্রিয় । যার মুখে সবসময়ই সুন্নতী হাসি লেগেই থাকে । যিনি সাধারণ পর্যায় থেকে পোড় খাওয়া সাধারণ কর্মী থেকে আজ সফল সংগঠক। সাধারণ মানুষের সেবায় সর্বদা পাশে থাকায় গরীব দুঃখী অসহায় মানুষের প্রিয়জন হাসনাত হোসেন।
সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত তিনি মানুষের কল্যানে কাজ করে যাচ্ছেন। প্রসংশাও কুড়িছেন শান্তিগঞ্জ উপজেলা বাসীর। রাত কিংবা দিন জনগনের কল্যানে পরিশ্রম করছেন মানবিক আওয়ামীলীগ নেতা,পরিকল্পনা মন্ত্রীর এপিএস ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী হাসনাত হোসেন।
তিনি সুনামগঞ্জ জেলার শান্তিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের উপ দপ্তর সম্পাদক। একটা সময় কঠিন সময় পার করেছেন। এই ত্যাগী নেতাকে পুরস্কার স্বরুপ শান্তিগঞ্জ উপজেলার সর্বস্তরের জনগণ ও নেতাকর্মীদের দাবি জানায় শান্তিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করার।। শান্তিগঞ্জ উপজেলার ত্রি বার্ষিক সম্মেলনে উপজেলার সর্বস্তরের জনগণ ও নেতাকর্মীদের এক দফা এক দাবি হাসনাত হোসেন সেক্রেটারি।।
তিনি রাজনৈতিক জীবনে প্রথমে ২০০৮ সালে সুনামগঞ্জ ০৩ আসনের এম এ মান্নান এমপি এর পিএস ছিলেন পরবর্তী ২০১৪ সালে আলহাজ্ব এম এ মান্নান এমপি যখন অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী হন তখন তিনি একান্ত রাজনৈতিক সচিবের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে। বেড়ে যায় তার কর্মক্ষেত্র। বাড়ে মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ততাও। কাজ করার বড় পরিসর পেয়ে হাসনাত হোসেন মানুষের সেবায় নিজেকে আত্মনিয়োগ করেন আরও বেশি করে। তারপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। একদিকে মানুষের ভালোবাসা, অন্যদিকে এলাকার দলমত নির্বিশেষে সব মানুষের প্রতি তার একই রকম আচরণ তাকে আরও বেশি আত্মবিশ্বাসী করে তোলে। একজন ভালো মনের মানুষ, আদর্শবান একজন সত্যিকার নেতা, সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে তাদের একজন কাছের মানুষ, শ্রমিকের বন্ধু হিসেবে হাসনাত হোসেনের সুনাম ছড়িয়ে পড়ে গোটা উপজেলা তথা জেলায়। আর সম্মোহনী নেতা হিসেবে তিনি হয়ে ওঠেন সারা উপজেলার সাধারণের অকৃত্রিম বন্ধু।
বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা মন্ত্রী’র একান্ত রাজনৈতিক সচিব হওয়া সত্ত্বেও একেবারেই নিরহঙ্কার একজন নেতা, তিনি নির্লোভ, নিঃস্বার্থ।সবসময় কথা বলেছেন নিজের এলাকার মানুষের স্বার্থে। কখনোই তিনি নিজের জন্য কিছু করার চেষ্টা করেননি। গাড়ি-বাড়ির প্রতি তার কোনো মোহ ছিল না। অন্য রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা যেখানে শুল্কমুক্ত দামি গাড়ি নিয়ে ঘুরে বেড়ান, সেখান তিনি ছিলেন ঠিক তাদের বিপরীত। পরিকল্পনা মন্ত্রী’র রাজনৈতিক সচিব হয়েও নিজের জন্য কিছু না করার দৃষ্টান্ত স্থাপন এবং তার এমন নির্লোভ ও নিরহঙ্কার থেকে মানুষের কাছে এটা একেবারেই পরিষ্কার হয়ে ফুটে উঠে যে, তিনি সত্যিকার অর্থে একজন বড়মাপের নেতা। তিনি সবসময় আছেন মানুষের হৃদয়ে ভালোবাসায় সিক্ত।
২০১৪ সালে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ শান্তিগঞ্জ উপজেলা শাখার উপ দপ্তর সম্পাদক পদে নির্বাচিত হন। দীর্ঘ ৯বছর ২০২২ সালে ১৫ নভেম্বর আসন্ন শান্তিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলনে তিনি উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী। এ আমেজ চড়িয়ে পড়েছে উপজেলা ব্যাপি আর শান্তিগঞ্জ উপজেলার সর্বস্তরের জনগণ ও নেতাকর্মীদের প্রাণের দাবি উপজেলা আওয়ামীলীগের হাসনাত হোসেন সেক্রেটারি।
রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে তিনি অসাধারণ একজন মানুষ। নিজগুণে তিনি অল্প সময়ে প্রত্যেক নেতা কর্মীর নজর কাড়েন। একই সময়ে তিনি একজন সমাজকর্মী হিসেবে এলাকার নানা সামাজিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন। এখানেও তার সেবামূলক নানা কর্মকাণ্ড তাকে মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে যায়। তার এসব কর্মকাণ্ড আর বহুগুণে গুণান্বিত হওয়ায় এলাকার মানুষ তাকেই নিজেদের সেবক হিসেবে বেছে নিতে অস্থির হয়ে ওঠেন। সবার একটাই দাবী শান্তিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের ত্রি বার্ষিক সম্মেলনে হাসনাত হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক পদে দেখতে চান।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ২০০১-২০০৬ সাল বিভীষিকাময় পরিস্থিতি বিরাজমান করে বিএনপি জামাত শাসনামল। এসময় ছাত্র জীবনে তিনি বিভিন্ন সময় বিএনপি জামাত হিংস্রতার স্বীকার হন। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের পক্ষ্যে কথা বলায় বিভীষিকাময় শাসনামলে অত্যাচার নির্যাতনের স্বীকার হয়েছেন অনেকবার।
শিক্ষা জীবনে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় (জাককানইবি) থেকে মাস্টার্স কমপ্লিট করেন, বর্তমানে আইন বিভাগে পড়াশোনা করছেন।
নিজ জন্মস্হান সুনামগঞ্জ জেলার শান্তিগঞ্জ উপজেলার লোকজনের কাছে তিনি সৎ, মানবিক এবং সম্মোহনী নেতৃত্বের অধিকারী হিসেবে পরিচিতি।
২০২২ সালের বন্যার কারণে সুনামগঞ্জ জেলা এক প্রকার অচল বললে ও চলে। বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ জেলা ভয়াবহ বন্যা কবলিত হয়ে পড়ে । এই সময়ে বানবাসী গরিব, অসহায়, খেঁটে খাওয়া মানুষের জীবন-ধারন করা অসম্ভব হয়ে পড়ছে।এসব অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন এই মানবিক আওয়ামী লীগ নেতা হাসনাত হোসেন। উপজেলায় বিভিন্ন ওয়ার্ডে মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোঁজ নিয়ে খাদ্যসামগ্রী দিয়ে আসেন এই আওয়ামীলীগ নেতা । ২০১৯ সালে করোনা ভাইরাসে বিশ্ব যখন আতংকিত, শুরুর দিক থেকেই মানুষকে সচেতন করতে ছুটে গেছেন গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে। যখন মানুষ ঘর বন্দি, তিনি খাদ্যসামগ্রী নিয়ে ছুটে গেছেন অসহায় ও দরিদ্র মানুষের ঘরে ঘরে,তিনি নিজে কোভিড আক্রান্ত হয়েছিলেন তারপর ও থেমে থাকেন নি সাহায্য সহযোগীতা করেছেন। তাঁর এই উদ্যোগকে এলাকাবাসী স্বাগত জানিয়েছে।
এই বঙ্গবন্ধু আদর্শের সৈনিকের একটাই চিন্তা নিঃশার্থ জনসেবা করাই উনার মূলনীতি । তিনি মানুষের কল্যাণে কাজ করে শান্তি পান। কোন অর্থবিত্তের জন্য রাজনীতি করেন না । মহান সৃষ্টিকর্তাকে খুশি করার জন্য মানুষের সেবা করে যাচ্ছেন পরিকল্পনা মন্ত্রী’র একান্ত রাজনৈতিক হাসনাত হোসেন। যতদিন বেচে থাকবেন মানুষের কল্যাণেই কাজ করে যাবেন।
সম্পাদক: এসএম নাসির উদ্দিন।
উপ সম্পাদক: দেওয়ান জাকির হোসেন।
যোগাযোগ: পশ্চিম জিন্দাবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: natunsylhetnews@gmail.com
মুঠোফোন: ০১৭১৫৫০১১৫১
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পুর্ন বে-আইনি।



