চা শ্রমিকদের চলমান আন্দোলন ও দাবির সাথে সংহতি প্রকাশ করে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
গতকাল বৃহস্পতিবার (২৫ আগস্ট) দুপুর দেড়টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে এই মানববন্ধন করেন তারা।
এসময় বক্তব্য রাখেন চা শ্রমিক প্রতিনিধি হিসাবে জ্যোতির্ময় কানু,
নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী পল্লব কুমার তাতী, অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী শরৎ কৈরী ও রুপালি পাল, বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী প্রিয়াব্রত কৈরী, প্রেট্রোলিয়াম এন্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং (পিএমই) বিভাগের শিক্ষার্থী তানভীর সরোয়ার প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দেশে প্রতিনিয়ত নিত্য পণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে। সেই সাথে বৃদ্ধি পাচ্ছে জীবনধারণের জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য আনুষাঙ্গিক খরচ। চড়া দ্রব্যমূল্যের এই বাজার পরিস্থিতিতে ১২০ টাকা মজুরি অত্যন্ত অমানবিক এবং অপ্রতুল। পরবর্তীতে ২৫ টাকা বাড়িয়ে ১৪৫ টাকা করা হলেও তা চা-শ্রমিকদের জন্য যথেষ্ট নয়।
নানা অজুহাতে মালিকরা শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি থেকে বঞ্চিত করছেন। দীর্ঘদিন ধরে চা বাগানের শ্রমিকেরা দৈনিক ১২০ টাকা মজুরিতে কাজ করে যাচ্ছেন। এটি চা-শ্রমিকদের প্রতি জুলুম। বর্তমান বাজারদরের ঊর্ধ্বগতিতে এই টাকায় দিনযাপন করা কিভাবে সম্ভব? তাদের প্রতি এমন অমানবিক আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়। আমরা চা-শ্রমিকদের এই যৌক্তিক ও ন্যায্য আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে চা বাগানের শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি ৩০০ টাকা নির্ধারণ করার দাবি জানাচ্ছি।
প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের ১৯ জানুয়ারি বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা বাংলাদেশীয় চা সংসদের কাছে ৩০০ টাকা দৈনিক মজুরিসহ ২০ দফা দাবি জানান। দাবির বাস্তবায়ন না হওয়ায় গত ৯ আগস্ট থেকে সারাদেশের চা বাগানে দুই ঘণ্টা করে কর্মবিরতি পালন করে শ্রমিকরা। কর্মবিরতি শেষে তারা কাজে ফিরছিলেন। এরপরও মালিকপক্ষ দাবি মেনে না নেওয়ায় শ্রমিকরা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটে যায়।
সম্পাদক: এসএম নাসির উদ্দিন।
উপ সম্পাদক: দেওয়ান জাকির হোসেন।
যোগাযোগ: পশ্চিম জিন্দাবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: natunsylhetnews@gmail.com
মুঠোফোন: ০১৭১৫৫০১১৫১
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পুর্ন বে-আইনি।



