সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে সড়কের পাশে শুয়ে থাকা অবস্থায় কমর আলী (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়। পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর মারা যান তিনি। মঙ্গলবার ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ সুনামগঞ্জ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
মৃত কমর আলী উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের ঘোষগাঁও গ্রামের মৃত মোবারক আলী ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, গত সোমবার সন্ধ্যায় জগন্নাথপুর-সিলেট সড়কের লুদুরপুর নামক স্থানে কমর আলীকে ঘুমন্ত অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে ওই সড়কে চলাচলকারী গাড়ি চালকদের সহযোগিতায় তাঁকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয়। সেখানে তার কাছ থেকে পাওয়া জাতীয় পরিচয়পত্রের মাধ্যমে স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। ততক্ষণে তিনি মারা যান। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে।
মৃতের ভাতিজা মিজানুর রহমান বলেন, ‘সন্তান হয় না বিধায় ১০ বছর আগে চাচার বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। এরপর থেকেই তিনি বাড়ি ছাড়া। তিনি কোথায় কখন থাকেন আমরা কেউ জানি না। মাঝে মধ্যে বাড়িতে আসেন আবার কাউকে কিছু না জানিয়ে চলে যান। গত ৫ বছর আগে হঠাৎ করে বিয়ে বাড়ি ফেরেন তিনি। কিছুদিন পর ওই স্ত্রীর সঙ্গেও বিচ্ছেদ ঘটে। পরে বেশ কয়েক মাস ধরে শারীরিক ও মানসিক রোগে ভুগছিলেন তিনি। গত মে মাসে চাচাকে সিলেট হাসপাতালে চিকিৎসাও করানো হয়েছে।’
জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক মির্জা রুবেল বলেন, হাসপাতালে যখন নিয়ে আসা হয় তখন কমর আলী জীবিত ছিলেন। পরে আমরা সিলেটে রের্ফাড করি। কিন্তু স্বজনেরা আসার আগেই মারা যান তিনি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিষপানে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
সুনামগঞ্জের সহকারী পুলিশ সুপার (শান্তিগঞ্জ-জগন্নাথপুর সার্কেল) শুভাশীষ ধর বলেন, চিকিৎসকের তথ্যমতে ধারণা করা হচ্ছে, বিষক্রিয়ায় ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নতুনসিলেট২৪ডটকম / এএ
সম্পাদক: এসএম নাসির উদ্দিন।
উপ সম্পাদক: দেওয়ান জাকির হোসেন।
যোগাযোগ: পশ্চিম জিন্দাবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: natunsylhetnews@gmail.com
মুঠোফোন: ০১৭১৫৫০১১৫১
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পুর্ন বে-আইনি।



