সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে মামার লালসার শিকার হয়েছেন ভাগ্নে বৌ। প্রতিবন্ধি ভাগ্নের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে ভাগ্নে বৌকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে আসছিলেন ফিরোজ মিয়া নামের লম্পট মামা শ্বশুড়।
ভাগ্নার স্ত্রীর দায়ের করা মামলায় অবশেষে মামা ফিরোজ মিয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত ধর্ষক ফিরোজ মিয়া উপজেলার তৈমুর নগর গ্রামের মৃত ইউনুস আলীর ছেলে।
অভিযোগের প্রেক্ষিতে জানা গেছে, ভিকটিমের স্বামী মানসিক প্রতিবন্ধি হওয়ায় ধর্ষক ফিরোজ মিয়া পারিবারিক সাহায্য সহযোগীতা করার অজুহাতে প্রায়ই বাড়িতে যাতায়াত ছিলেএ ইস্যুকে কাজে লাগিয়ে ভিকটিমের সঙ্গে ব্যক্তিগত হৃদ্যতা বাড়ানোর চেষ্টা করে আসছিলেন।
গত ১৫ মে ফিরোজ তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে টুকেরবাজারস্থ ভিকটিমের নিজ বসত ঘরে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এরপর ধারাবাহিক ভাবে ভিকটিমের মান সম্মান নষ্ট করার ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করে আসছিল সে। ধর্ষক ফিরোজের যৌন অত্যাচার সইতে না পেরে কোনো উপায় না পেয়ে ভিকটিম তার পিতার বাড়ি পাড়ুয়ায় চলে যান।
সেখানে স্থানীয় মুরুব্বিদেরকে ধর্ষণের বিষয়টা জানান ওই গৃহবধু। স্থানীয় মুরুব্বিরা তাকে কোম্পানীগঞ্জ থানায় অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেন। এ ব্যাপারে ভিকটিম নিজে বাদী হয়ে ফিরোজ মিয়াকে একমাত্র আসামী দেখিয়ে শুক্রবার (১০ সেপ্টেম্বর) কোম্পানীগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা (নং-০৬(০৯)২১) দায়ের করেন।
ভিকটিমের অভিযোগের ভিত্তিতে লম্পট ফিরোজ মিয়াকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেফতার করেন কোম্পানীগঞ্জ থানার উপ পরিদর্শক অনিক বড়ুয়া।
কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ কেএম নজরুল জাহান কাজল বলেন,আসামীকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। ভিকটিমকে তাৎক্ষণিকভাবে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসি সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে।