বরিশালের গৌরনদী মডেল থানা পুলিশ বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে লিজা আক্তার (১৮) নামে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলা এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করেছে। ওই তরুণীর বাড়ি উপজেলার বার্থী ইউনিয়নের বেঁজগাতি গ্রামে। উপজেলার বার্থী ডিগ্রি কলেজের এইচএসসি প্রথম বর্ষের ছাত্রী ছিলেন তিনি।
তিনি ওই গ্রামের ফলবিক্রেতা আব্দুল হক সরদারের মেয়ে। আজ (বৃহস্পতিবার) তার বিয়ের অনুষ্ঠান ধার্য ছিল। বরযাত্রীসহকারে বর এসে আজ দুপুরে তাকে শ্বশুরবাড়িতে তুলে নেওয়ার কথা ছিল। তার মৃত্যুর খবরে বিয়ের অনুষ্ঠানটিও পণ্ড হয়ে গেছে।
গৌরনদী থানার মডেল থানার ওসি আফজাল হোসেন সমকালকে জানান, লোকমুখে খবর পেয়ে থানার এসআই মো. শাহ্জাহানকে সঙ্গীয় ফোর্সসহ বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়। তিনি ওই জরুরি বিভাগ থেকে মৃতদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন।
তরুণীর চাচা উপজেলার বেচবাতি গ্রামের আব্দুল হাই সরদার সমকালকে জানান, বুধবার বিকেলে তার ভাতিজি লিজা আক্তার তাদের একটি পরিত্যক্ত বসতঘরে ঘুমাতে যায়। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ওই ঘরের আড়ার সঙ্গে তাকে গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলতে দেখে স্বজনরা তাকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে আসেন।
গৌরনদী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে কর্মরত প্যারামেডিকেল চিকিৎসক (সেকমো) দেওয়ান আব্দুস সালাম বলেন, তরুণীকে জরুরি বিভাগে আনার পর মেডিকেল অফিসার যখন তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন, এর পরপরই তরুণীকে নিয়ে আসা লোকজন লাশ ফেলে গা ঢাকা দেয়।
এসআই মো. শাহজাহান বলেন, লাশের সুরতহাল করেছি। লাশের গলায় ফাঁস লাগানোর মতো কালো দাগ দেখতে পেয়েছি। তরুণীর অভিভাবকরা আমাকে জানিয়েছেন ‘পাত্র পছন্দ না হওয়ায় অভিভাবক ও স্বজনদের সঙ্গে অভিমান করে গঁলায় ফাঁস দিয়ে লিজা আত্মহত্যা করতে পারে’। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা করা হয়। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠানো হয়।
সম্পাদক: এসএম নাসির উদ্দিন।
উপ সম্পাদক: দেওয়ান জাকির হোসেন।
যোগাযোগ: পশ্চিম জিন্দাবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: natunsylhetnews@gmail.com
মুঠোফোন: ০১৭১৫৫০১১৫১
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পুর্ন বে-আইনি।



