চোর না শোনে ধর্মের কাহিনী, না মানে জজ-ব্যারিস্টার। তাইতো কোরবানির গরুতেও চোখ পড়লো চোরের। তাও যার তার গরু নয়, খোদ সিলেটের আদালতের বিচারকবৃন্দের কেনা গরু নিল চুরে।
রোববার(১০জুলাই) ঈদের দিন সকাল ৭ টা ২০ মিনিট থেকে ৭টা ৫০ মিনিটের মধ্যে আদালত চত্বর থেকে গরুটি চুরি হয়ে যায়।
এ ঘটনায় জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত নাজির মো. কামাল উদ্দিন চৌধুরী বাদি হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা (নং-২৬(০৭)২০২২) দায়ের করেছেন।
সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার(মিডিয়া) বি্এম আশরাফ উল্লাহ তাহের মঙ্গলবার (১২ জুলাই) রাত ৯টার দিকে এ তথ্য প্রদান করেন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, কোরবানির জন্য বিচারকবৃন্দ গত ৮ জুলাই ৭০ হাজার টাকা দামে একটি নেরা লাল রংয়ের ষাড় কিনেন। গরুটি জেলা ও দায়রা জজ আদালত ভবনের নীচ তলায় নেজারত বিভাগের সামনে গ্রীলের সঙ্গে রশি দিয়ে বাধা ছিল।
ঈদের দিন সকালে কোরবানি দেওয়ার কথা। আদালতের নৈশ্য প্রহরি মজনু মিয়া ও হুমায়ন কবীরকে কোরবানির আগ পর্যন্ত গরুটি দেখাশোনার দায়িত্ব দেওয়া হয়। তারা গরুটি কলাবসিবল গেইটের ভেতরে গ্রীলের সঙ্গে বেধে গেইট তালাবদ্ধ করে নামাজে যান। নামাজ থেকে ফিরে দেখেন গরুটি নেই, চুরি হয়ে গেছে। পরে তারা ঘটনাটি নায়েব নাজির খাইরুল ইসলাম বাদিকে ফোনে বিচারকবৃন্দের গরু চুরির কথা জানান। যে কারণে বিচারকগণ কোরবানি দিতে পারেননি।
বিষয়টি কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ ও বন্দরবাজার ফাঁড়ির ইনচার্জকে অবহিত করেন। সে সময় আদালতের ফটকে কোনো পুলিশ ছিলেন না। বরং পুলিশ বক্সগুলি তালাবদ্ধ ছিল বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়। পাহারায় নিয়োজিতদের বরাত দিয়ে এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ঈদের নামাজ চলাকালেই বিচারকবৃন্দের কোরবানির গরু চুরি হয়েছে। বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্তক্রমে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করা হয় মামলায়।
এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো, আলী মাহমুদ বলেন, আমি ছুটিতে রয়েছি। তবে বিচারকবৃন্দের গরু চুরি হয়েছে, এ বিষয়ে মামলাও দায়ের করা হয়েছে। বিষয়টি ওসি তদন্ত দেখছেন।
সম্পাদক: এসএম নাসির উদ্দিন।
উপ সম্পাদক: দেওয়ান জাকির হোসেন।
যোগাযোগ: পশ্চিম জিন্দাবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: natunsylhetnews@gmail.com
মুঠোফোন: ০১৭১৫৫০১১৫১
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পুর্ন বে-আইনি।



