মুসল্লিদের পদচারণায় মুখর সৌদি আরবের মক্কা ও মদিনা। পবিত্র হজ ঘিরে দুই বছরের মন্দা কাটিয়ে ওঠার আশায় বুক বেঁধেছেন হোটেল-মোটেল ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত প্রবাসী বাংলাদেশিরা।
মক্কা ও মদিনায় আবাসিক হোটেল খাতের সঙ্গে যুক্ত আছেন ব্যবসায়ী ও কর্মীসহ কয়েক হাজার বাংলাদেশি। করোনা মহামারির কারণে এই দুই শহরের আবাসিক হোটেল খাতে ধস নামে। যার লোকসান বহন করেছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।
ইতোমধ্যে চলতি বছর ১০ লাখ মানুষ পবিত্র হজ পালন করবেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এদের ৮৫ শতাংশই বিদেশি। এছাড়া পবিত্র ওমরা পালনের জন্য ভিসা উন্মুক্ত করে দেয়ায় করোনাকালীন যে ক্ষতি হয়েছে তা কাটিয়ে ওঠার আশা করছেন ব্যবসায়ীরা।
হজ এজেন্সির এক মালিক বলেন, ‘সারা বিশ্ব থেকে এখানে লাখ লাখ হজযাত্রী আসছেন। এভাবে চলতে থাকলে আমরা অতীতের ক্ষতি পুষিয়ে ওঠতে পারব।’
সৌদি আরবের হোটেল-রেস্তোরাঁগুলোর উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের অধীন বর্তমানে কাজ করছেন অসংখ্য প্রবাসী বাংলাদেশি। দেশটিতে করোনা শুরুর পর নিষেধাজ্ঞা দেয়া হলে ব্যবসায় চরম মন্দা দেখা দেয়। তবে সেই পরিস্থিতি অনেকটাই কাটিয়ে ওঠেছে সৌদি আরব।
এদিকে নিজ দেশের নাগরিক ও প্রবাসীদের জন্য হজ প্যাকেজের খরচ আগের চেয়ে কমিয়েছে সৌদি সরকার। সৌদি আরবে অবস্থানরত সবার জন্য পবিত্র হজের তিনটি প্যাকেজ চালু করেছে দেশটির হজ এবং ওমরা মন্ত্রণালয়। এই তিনটির মধ্যে প্রথম প্যাকেজ অর্থাৎ ‘হসপিটালিটি অর্ডিনারি ক্যাম্প’-এর আগের খরচ ধরা হয়েছিল ১০ হাজার ২৩৮ রিয়াল। তা কমিয়ে বর্তমানে খরচ নির্ধারণ করা হয়েছে ৯ হাজার ৯৮ রিয়াল।
দ্বিতীয় হজ প্যাকেজ অর্থাৎ ‘হসপিটালিটি আপগ্রেডেড ক্যাম্প’-এর মূল্য ছিল ১৩ হাজার ৪৩ রিয়াল, যা কমিয়ে বর্তমানে ১১ হাজার ৯৭০ রিয়াল নির্ধারণ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, হজ প্যাকেজের এই খরচের মধ্যে হজযাত্রীদের শহর থেকে মক্কা যাতায়াতের খরচ এবং ভ্যাট সংযুক্ত নেই।
সম্পাদক: এসএম নাসির উদ্দিন।
উপ সম্পাদক: দেওয়ান জাকির হোসেন।
যোগাযোগ: পশ্চিম জিন্দাবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: natunsylhetnews@gmail.com
মুঠোফোন: ০১৭১৫৫০১১৫১
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পুর্ন বে-আইনি।



