চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে সোনাইছড়ি এলাকায় বিএম কনটেইনার ডিপোতে আগুন লেগে আহত হবিগঞ্জের বাহুবলের আল-আমিনের (২২) শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। তার শরীরের প্রায় ৯৫ শতাংশ পুড়ে গেছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
সোমবার (৬ জুলাই) দিনগত রাতে আল-আমিনকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল (চমেক) থেকে আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) স্থানান্তর করা হয়েছে। তিনি বাহুবল উপজেলার পুটিজুরী ইউনিয়নের বাগেরখাল গ্রামের সেফু মিয়ার ছেলে।
আল-আমিনকে চমেকে ভর্তি করার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও দেখে তাকে চিনতে পারলেও পরিবারের লোকজন অর্থের অভাবে সেখানে যেতে পারেননি। তিনি একাই হাসপাতালের শয্যায় কাতরাচ্ছিলেন। পরে সোমবার পুটিজুরী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মুদ্দত আলীর সহযোগিতায় তার বাবা ও ফুফাতো ভাই চট্টগ্রামে গিয়েছেন।
চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে আল আমিনের ফুফাতো ভাই মো. সালাম মিয়া জানান, ছেলেটির শরীরের প্রায় ৯৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তবে মুখ ও মাথায় আগুন লাগেনি। তাকে প্রথমদিন চট্টগ্রামের সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি করা হলেও পরবর্তীতে চমেকে নেওয়া হয়। সেখানে আইসিইউ খালী না থাকায় গতকাল তাকে চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালের নিবিড় আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, আল আমিনের অসুস্থ মা ছেলের শরীর পুড়ে যাওয়ার পর থেকেই কান্না করছিলেন। সোমবার সারাদিনও তিনি কান্না করে বার বার মূর্ছা যাচ্ছিলেন বলে তারা জানিয়েছেন।
শনিবার রাত ৯টার দিকে সীতাকুণ্ডের সোনাইছড়ি এলাকায় বিএম কনটেইনার ডিপোতে আগুন লাগে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করার সময় রাসায়নিক থাকা একটি কনটেইনার বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়। এতে দুই শতাধিক মানুষ আহত হন। ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিসের ১৫টি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরে ইউনিট আরও বাড়ানো হয়। কনটেইনার ডিপোতে বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৫ জনে।
নতুনসিলেট২৪ডটকম / এএ
সম্পাদক: এসএম নাসির উদ্দিন।
উপ সম্পাদক: দেওয়ান জাকির হোসেন।
যোগাযোগ: পশ্চিম জিন্দাবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: natunsylhetnews@gmail.com
মুঠোফোন: ০১৭১৫৫০১১৫১
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পুর্ন বে-আইনি।



