হবিগঞ্জের বাহুবলে ভালোবেসে বিয়ে করার ৫ বছরের মাথায় লাশ হলো ঝর্ণা আক্তার নামে এক গৃহবধূ।
সোমবার দুপুরে লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়। মৃত গৃহবধূ ঝর্ণা আক্তার উপজেলার চানপুর গ্রামের লেচু মিয়ার স্ত্রী। তিনি এক সন্তানের জননী ছিলেন বলে জানা গেছে।
জানা যায়, চাঁনপুর গ্রামের সফর আলীর ছেলে লেচু মিয়া প্রায় ৫ বছর আগে ভালোবেসে বিয়ে করেন একই গ্রামের মৃত দরছ মিয়ার কন্যা ঝর্ণা আক্তারকে। বিয়ের পর তাদের সংসার সুখে শান্তিতেই কাটছিল। এরই মধ্যে তাদের কোলজুড়ে জন্ম নেয় এক পুত্র সন্তানও। কিন্তু বিয়ের কয়েক বছর পার হতে না হতেই পারিবারিক বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে তাদের মধ্যে শুরু হয় কলহ। এ নিয়ে প্রায়ই ঝর্ণার সঙ্গে তার স্বামীসহ পরিবারের লোকজনের ঝগড়া হতো।
সোমবার সকালে তিনি হঠাৎ করেই নিজ ঘরের তীরের সঙ্গে গলাফ ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। পরে পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করে।
বাহুবল মডেল থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) প্রজিত কুমার দাস জানান, মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। কি কারণে ওই গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। এ বিষয়ে পুলিশ তদন্ত করছে। পুলিশী তদন্ত ও ময়না তদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
নতুনসিলেট২৪ডটকম / এএ
সম্পাদক: এসএম নাসির উদ্দিন।
উপ সম্পাদক: দেওয়ান জাকির হোসেন।
যোগাযোগ: পশ্চিম জিন্দাবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: natunsylhetnews@gmail.com
মুঠোফোন: ০১৭১৫৫০১১৫১
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পুর্ন বে-আইনি।



