কোরবানির পশুর বর্জ্য ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণ করবে সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক)। আর এ কাজে প্রায় দুই হাজার পরিচ্ছন্নকর্মী নিয়োজিত থাকবেন।মনিটরিং থাকবে ৩টি স্থরে।
মঙ্গলবার (২০ জুলাই) সিসিকের গণসংযোগ কর্মকর্তা (পিআরও) আলীম শাহ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
এতে বলা হয়, পবিত্র ঈদুল আজহায় এবার সিসিকের ২৭টি ওয়ার্ডে পশু কোরবানির জন্য ৩০টি স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রত্যেকটি স্থানে কোরবানির সরঞ্জামসহ সাবান, পানি, ব্লিচিং পাউডার ইত্যাদি দেওয়া হবে। কোরবানির জন্য দুইজন সহায়তাকারী থাকবেন প্রতি কেন্দ্রে।
সিসিকের নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি দিতে নগরবাসীর প্রতি আহবান জানিয়ে মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, দয়া করে কেউ রাস্তাঘাটে কোরবানি দেবেন না এবং ড্রেন, ছড়া বা খালে কোরবানির উৎপাদিত বর্জ্য ও পশুর চামড়া ফেলবেন না।
কোরবানির পশুর চামড়া যত্রতত্র রাখবেন না। যার যার বাসা-বাড়িতে পশুর চামড়া রাখবেন। কোভিড-১৯ মহামারির এ সময় বিবেচনায় কোরবানির বর্জ্য ছড়িয়ে যাতে পরিবেশ বিপর্যস্ত না হয়, সে দিকে লক্ষ্য রাখতে নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্যে সিসিকের ২৭টি ওয়ার্ডকে ৩টি জোনে ভাগ করে বাস্তবায়নকারী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন সিসিকের সচিব ফাহিমা ইয়াসমিন, সম্পত্তি কর্মকর্তা ও অ্যাক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসমিন নাহার রুমা ও অ্যাক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সুনন্দা রায়।
বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রমে সার্বিক ব্যবস্থাপনায় দায়িত্বপালন করবেন সিসিকের পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা মোহাম্মদ হানিফুর রহমান।
কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কাজে সিসিকের বিভিন্ন স্থরের ৯০টি গাড়ি ও যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হবে। মাঠে কাজ করবেন এছাড়া ২৭ ওয়ার্ডে বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম মনিটরিং করতে ৯ জন মনিটরিং অফিসার মাঠে কাজ করবেন বলেও জানানো হয়।
সম্পাদক: এসএম নাসির উদ্দিন।
উপ সম্পাদক: দেওয়ান জাকির হোসেন।
যোগাযোগ: পশ্চিম জিন্দাবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: natunsylhetnews@gmail.com
মুঠোফোন: ০১৭১৫৫০১১৫১
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পুর্ন বে-আইনি।



