বাংলাদেশে মৌসুমি বায়ু সাধারণত জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে আসে। আর তা সারা দেশে ছড়িয়ে পড়তে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত গড়িয়ে যায়।
তবে এবার মে মাসের শেষেই দেশে আগাম চলে এসেছে মৌসুমি বায়ু। এর প্রভাবে সিলেটসহ দেশের বেশিরভাগ এলাকায় থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। কোথাও দেখা দিয়েছে জলাবদ্ধতা, বন্যা। উপকূল ও উত্তরাঞ্চলে তুলনামূলক বেশি বৃষ্টি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।
শুক্রবার (৩ জুন) সকালে বৃষ্টিতেই নগরের নিচু এলাকায় সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা। জুম্মার নামাজের পর ফের ঝড়ো বৃষ্টি আসে। তাতে নগরের বিভিন্ন এলাকায় পানি জমে থাকায় পথচারীদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। এরআগে শনিবার রাতেও থেমে থেকে বৃষ্টি হয়েছে সিলেটে।
জলাবদ্ধতা নিরসনে সিসিক ছড়াখাল খনননে কোটি কোটি টাকা ব্যয় করলেও এর সুফল আসেনি কাঙ্খিত মাত্রায়। তবে ছড়াখাল প্রকল্পগুলোর কাজের অগ্রগতি ৭৫ ভাগ শেষ হয়েছে বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা। এতো উন্নয়নের পরও সহসা দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাচ্ছেন না নগরবাসী।

স্থানীয়রা জানান, ময়লা-আবর্জনা জমে অনেক খাল ভরাট হয়ে গেছে। তাই বৃষ্টির পানি নামতে পারছে না। ঘণ্টার পর ঘণ্টা পানি জমে থাকছে সড়কে।
সিলেট সিটি করপোরেশনের ২২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সালেহ আহমদ সেলিম বলেন, বন্যা পরবর্তী পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালাতে গিয়ে ড্রেনে যে পরিমাণ ময়লা আবর্জনা পাওয়া গেছে, তা সহসাই সরানো মুশকিল। এসব আবর্জনায় ছড়াখাল ভরাট হচ্ছে। যে কারণে পানি নিস্কাশন ব্যাহত হয়।
আবহাওয়াবিদরা বলছেন, মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের সীমানায় প্রবেশ করেছে। এটি এখন মিয়ানমারের আরাকান ও বাংলাদেশের কক্সবাজারে অবস্থান করছে। মৌসুমি বায়ু শুরুতে উপকূলে এসে কয়েক দিন স্থির থাকে। তারপর তা ধীরে ধীরে দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে। পর্যায়ক্রমে তা সারা দেশে ছড়িয়ে বৃষ্টি ঝরায়। এরই ধারাবাহিকতায় সিলেটেও বৃষ্টি হচ্ছে।
সম্পাদক: এসএম নাসির উদ্দিন।
উপ সম্পাদক: দেওয়ান জাকির হোসেন।
যোগাযোগ: পশ্চিম জিন্দাবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: natunsylhetnews@gmail.com
মুঠোফোন: ০১৭১৫৫০১১৫১
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পুর্ন বে-আইনি।



