পুলিশের ধাওয়া খেয়ে নিখোঁজের ১২ ঘন্টা পর দুলাল আহমদ (৪০) নামে এক আসামির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার (২৯ মে) সকালে সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার তিলপাড়া ইউনিয়নের পিরেরচক কদমআনি হাওর থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত দুলাল আহমদ স্থানীয় পিরেরচক এলাকার মৃত গিয়াস উদ্দিনের ছেলে। তিনি প্রথম স্ত্রীর দায়ের করা একটি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে পলাতক ছিলেন।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, শনিবার বিকেলে দুলাল আহমদকে গ্রেফতারে অভিযান চালায় পুলিশ। কিন্তু ধাওয়া খেয়ে তিনি হাওরের পানিতে পড়ে যান। রোববার সকালে তার মরদেহ কদমআনি হাওরে ভেসে ওঠে।
খবর পেয়ে বিয়ানীবাজার থানাপুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে।
এলাকার লোকজন আরো জানান, শনিবার বিকেলে দুলাল আহমদ স্থানীয় কুশিটিকি সেতুর উত্তর হাওরে নৌকা বাইচ দেখতে গিয়েছিলেন। ওই সময় সাদা পোশাকে একদল পুলিশ তাকে গ্রেফতারের চেষ্টাকালে দৌঁড়ে হাওরের পানিতে ঝাঁপ দিয়ে সাঁতার কাটতে থাকেন। পুলিশ সদস্যরা নৌকায় তার পিছু নিলে একপর্যায়ে তিনি নিখোঁজ হয়ে যান। রোববার সকালে গ্রামের লোকজন হাওরে দুলাল আহমদের মরদেহ ভেসে থাকতে দেখে স্বজনদের খবর দেন। খবর পেয়ে থানা পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে।
এদিকে, হাওরে ভেসে উঠার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ‘পুলিশি নির্যাতনে দুলালের মৃত্যু হয়েছে’ অভিযোগ করে বিক্ষোভ করতে থাকেন।
পরে বিয়ানীবাজার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কাশেম পল্লব, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আতাউর রহমান খান ও পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মেহেদী হাসান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে এলাকাবাসীকে শান্ত করেন।
এ বিষয়ে বিয়ানীবাজার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কাশেম পল্লব বলেন, দুলাল আহমদকে হত্যার অভিযোগ তুলে এলাকাবাসী উত্তেজিত হয়ে পড়েছিলেন। আমরা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের ব্যবস্থা নেওয়া হবে- এমন আশ্বাস দিলে বিক্ষুব্ধ মানুষ শান্ত হন।
সম্পাদক: এসএম নাসির উদ্দিন।
উপ সম্পাদক: দেওয়ান জাকির হোসেন।
যোগাযোগ: পশ্চিম জিন্দাবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: natunsylhetnews@gmail.com
মুঠোফোন: ০১৭১৫৫০১১৫১
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পুর্ন বে-আইনি।



