সিলেটের জৈন্তাপুরে নদীর পানি কমলেও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। পানিতে ঘর-বাড়ি নিমজ্জিত হওয়ায় অনেকেই গবাদি পশু নিয়ে অন্যত্র নিরাপদ আশ্রয় নিয়েছেন। অনেকে আবার পানিবন্দি হয়ে নিজগৃহে অবস্থান করছেন।
মঙ্গলবার (১৭ মে) সকাল থেকে থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে এবং বড়গাং ও সারী নদীর পানি অনেকটা কমতে দেখা গেছে। তবে, দুপুর ১২টা পর্যন্ত বিপৎসীমার দশমিক ১৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।
এদিকে নদীগুলোর পানি হাওর অঞ্চলে ঢুকে পড়ায় শতাধিক গ্রামের মানুষ এখনো পানিবন্দি।ধানের চারা পানির নিচে তলিয়ে গেছে।পানিতে ভেসে গেছে অসংখ্য পুকুরের মাছ। কৃষক ও খামারীরা গবাদি পশুর খাদ্য যোগাতে হিমশিম খাচ্ছেন।
উপজেলার বেশ কয়েকটি স্কুল ও কলেজে আশ্রয় কেন্দ্র খোলে হয়েছে।
এ দিকে আশির দশকে কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে নির্মিত হয় সারী-গোয়াইন বেড়িবাধ প্রকল্প। উপজেলার ফেরীঘাট থেকে সারীঘাট পর্যন্ত এই ডাইকের পশ্চিম অংশে একটি সুইচগেইট দেওয়া হয়। কর্তৃপক্ষের উদাসীতা আর অবহেলায় স্বয়ংক্রিয় এই সুইচগেইট দীর্ঘ দিন থেকে বিকল হয়ে পড়েছে। ফলে বাঁধের অভ্যন্তরের মানুষের জান-মাল এখন হুমকীর মুখে। বর্তমানে লামনীগ্রাম, ভিত্রিখেল, বিড়াখাই, হাটিগ্রাম, লামাবস্তি, গুফরাজান, তেতুরতলসহ বেশ কয়েকটি গ্রামের ঘর-বাড়ী, শিক্ষাপ্রতিষ্টান, রাস্তা-ঘাট পানির নিচে। ইতোমধ্যে দরবস্ত, ফতেপুর ও চিকনাগুল ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম নতুনভাবে প্লাবিত হচ্ছে।
সম্পাদক: এসএম নাসির উদ্দিন।
উপ সম্পাদক: দেওয়ান জাকির হোসেন।
যোগাযোগ: পশ্চিম জিন্দাবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: natunsylhetnews@gmail.com
মুঠোফোন: ০১৭১৫৫০১১৫১
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পুর্ন বে-আইনি।



