অস্ত্রহাতে নারীরাও ভয়ঙ্কর হতে পারেন। এতোদিন তা সিনেমায় দেখা গেছে। এবার বাস্তবে দেখা প্রতিপক্ষকে ধরাশায়ী করতে ধারালো অস্ত্রহাতে নারীদের হামলার দৃশ্য। প্রতিপক্ষের ঘরে হামলা করতে নেতৃত্ব দিয়েছেন সালেহা, কুলসুমা, মরিয়ম ও রহিমারা। তাদের সঙ্গে হামলায় যোগ দিয়েছেন কয়েক যুবক।
ঘটনাটি ঘটেছে সিলেটের কানাইঘাটের লক্ষিপাশা পূর্ব ইউনিয়নের ভারত সংলগ্ন সীমান্ত এলাকা কারাবাল্লা গ্রামে। শুক্রবার (৯ জুলাই) বিকেলে জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে হামলার এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় সালেহা, কুলসুমা, মরিয়ম ও রহিমাসহ ১১ জনের নামোল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ৬/৭ জনকে আসামি করে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ভোক্তভোগী ওই গ্রামের মঈন উদ্দিন লুকু।
কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজুল ইসলাম পিপিএম নতুন সিলেটকে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, জমিজমা থেকে বিরোধ নিয়ে ঘটনাটি শুক্রবার বিকেলে ঘটেছে। শনিবার (১০ জুলাই) বিকেলে এ ঘটনায় ভিডিও ফুটেজ দেখে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের থানায় আনা হচ্ছে।
তিনি বলেন, ঘটনাস্থল সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকায়। থানা থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে। তাও একাধিকস্থানে পায়ে হেটে ও নৌকায় যাওয়া লাগে। শনিবার সকালে রওয়ানা হয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে দুপুরের পরে পৌছায়। গ্রেফতারকৃতদের নিয়ে থানার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছেন পুলিশ সদস্যরা।
মামলার বরাত দিয়ে তিনি বলেন, মইনুদ্দিন লুকুর সঙ্গে সালেহা বেগম পরস্পর চাচাতো ভাই বোন। বিরোধপূর্ণ জায়গায় একটি টিন শেড ঘর নির্মাণ করেন মইনুদ্দিন লুকু। শুক্রবার বিকেলে সালেহা বেগমসহ সঙ্গীয়রা হামলা করে সেই টিনের ঘর ভেঙে ফেলেন এবং বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, হামলাকারী নারীরা হাতে দা নিয়ে হামলা করছেন। টিনশেড ঘরে দা দিয়ে কুপিয়ে ছিন্নবিচ্ছিন্ন করতে দেখা যায়। এসময় জনৈক যুবককে টিনশেড ঘরের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করছেন। হামলাকারীরা উচ্চ স্বরে হাকডাক করে ঘরে কুপাচ্ছিলেন। এসময় স্থানীয়রা মোবাইল ফোনে ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছেড়ে দেন।
সম্পাদক: এসএম নাসির উদ্দিন।
উপ সম্পাদক: দেওয়ান জাকির হোসেন।
যোগাযোগ: পশ্চিম জিন্দাবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: natunsylhetnews@gmail.com
মুঠোফোন: ০১৭১৫৫০১১৫১
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পুর্ন বে-আইনি।



