দেশে কোনো খাদ্যসংকট তৈরি হবে না মন্তব্য করে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি বলেছেন, সম্প্রতি সুনামগঞ্জে বোরো ফসলের কিছু ক্ষয়ক্ষতি হলেও চাষাবাদ অনেক বেশি হয়েছে। ফলে আমাদের ধান-চালের শক্তিশালী একটি মজুদ গড়ে উঠবে।
এছাড়াও আউশ ও আমন ধানে আমাদের প্রচুর মজুদ রয়েছে। সুবৃষ্টির কারণে আগামী আউশ ফসলও ভালো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
রোববার (১৫ মে) দুপুরে সিলেট সদর খাদ্যগুদাম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশের কৃষকদের উৎপাদিত ধান দিয়েই চালের চাহিদা মিটছে। গত এক বছরেও আমরা বিদেশ থেকে কোনো চাল আমাদানি করিনি। তবে দেশে গম না হওয়াতে বাইরে থেকে আমদানি করতে হয়। গম আমদানি করা হতো ইউক্রেন ও রাশিয়া থেকে। যুদ্ধ লাগার পর পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে আমরা ৩ লাখ মেট্রিক টন গম আমদানি করেছি। পরবর্তীতেও ভারত থেকে আমদানি করা হবে।
তিনি বলেন, বিভাগীয় শহর সিলেটে আধুনিক ‘রাইস সাইলো’ স্থাপন করা হবে। এ জন্য জায়গা খোঁজা হচ্ছে। জায়গা পাওয়া গেলেই সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে শুরু হবে। সিলেটে ‘রাইস সাইলো’ হলে ধানসহ কয়েক হাজার মেট্রিক টন খাদশষ্য মজুদ করে রাখা যাবে।

ভারতের গম রফতানি বন্ধের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, আগাম কোনো মন্তব্য করা ঠিক হবে না। ভারত সরকারিভাবে গম রফতানি বন্ধ করেনি। তাদের উৎপাদিত গমতো বিক্রি করতেই হবে।
কৃষকের ধানের সরকারি মূল্যের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, সরকার বিভিন্নভাবে কৃষকদের ভর্তুকি দিয়ে আসছে। ঘোষণা দিয়ে তাদের কাছ থেকে দাম নির্ধারণ করে ধান কেনা হচ্ছে। কৃষকরা যাতে বাজারে ধান বিক্রি করে ক্ষতিগ্রস্থ না হন, তাই ধানের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে রোববার দুপুর ১২টা ২০ মিনিটি খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি বিমানের একটি ফ্লাইটে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান। সেখান থেকে সিলেট সদর খাদ্যগুদাম পরিদর্শনে যান।
পরিদর্শন শেষে সিলেট সার্কিট হাউসে কিছু সময় অবস্থান করে সুনামগঞ্জের উদ্দেশে যাত্রা করেন মন্ত্রী।
সম্পাদক: এসএম নাসির উদ্দিন।
উপ সম্পাদক: দেওয়ান জাকির হোসেন।
যোগাযোগ: পশ্চিম জিন্দাবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: natunsylhetnews@gmail.com
মুঠোফোন: ০১৭১৫৫০১১৫১
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পুর্ন বে-আইনি।



