সিলেটে দুই গ্রামের সংষর্ষে থামাতে গিয়ে নিহত হাফিজ সালেহ আহমদ (৩০) ময়না তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।
মঙ্গলবার (০৫ এপ্রিল) বেলা আড়াইটায় ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে ময়না তদন্ত শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এরপর বিকেল ৫টার দিকে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় নিহতের বাড়ি জৈন্তাপুর উপজেলার উপজেলার হেমু ভাটপাড়া গ্রামে। মরদেহ পৌছার পর সেখানে এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারণা ঘটে। স্বজন হারানোর আর্তনাদে কান্নার সুরে বাতাস ভারি হয়ে ওঠে।
নিহতের পরিবার সূত্র জানায়, আজ রাত সাড়ে ১০টায় জানাযা শেষে মরদেহ স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করা হবে।
স্বজনরা বলেন, ঞাফিজ সালেহ আহমদ সিলেট নগরের মেজরটিলা তাহফিজুল কোরআন মাদরাসায় শিক্ষকতা করতেন। ঘটনার দিন তিনি বাড়িতে ছিলেন।
জানা গেছে, গত রোববার (০৩ এপ্রিল) দিনগত রাত থেকে পরদিন সোমবার (০৪ এপ্রিল) সকাল পর্যন্ত উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান রফিক আহমদের পক্ষে হাউদপাড়া ও সাবেক চেয়ারম্যান রশিদ আহমদের পক্ষের শ্যামপুর গ্রামের লোকজনের মধ্যে জমির মালিকানা নিয়ে সংঘর্ষ হয়। সোমবার দিনগত রাত ১২ টা থেকে প্রায় ১০ ঘন্টা ব্যাপী চলা সংঘর্ষ পরদিন সোমবার সকালে মধ্যস্থতা যান হাফিজ সালেহ আহমদ। ইমাম ও মুরব্বীদের একটি প্রতিনিধি দলে ছিলেন তিনি। এমন সময় ফের উত্তেজনা দেখা দিলে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। তাৎক্ষনিক তাকে ধরে নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের ভেতরে নিয়ে পিঠিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে একটি পক্ষ। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত শতাধিক লোকজন আহত হন।
প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে স্বজনরা বলেন, সংঘর্ষের ঘটনার মধ্যস্থতা করতে গেলে ওই সময় উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে গিয়ে পুলিশ টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে। এতে লোকজন দিকবিদিক ছুটাছুটি করেন। টিয়ারশেলে আক্রান্ত হয়ে সালেহ আহমদ মাটিতে পড়ে গেলে বর্তমান চেয়ারম্যান পক্ষ তাকে ধরে নিয়ে ইউনিয়ন অফিসের ভেতরে নিয়ে পিঠিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে।
সম্পাদক: এসএম নাসির উদ্দিন।
উপ সম্পাদক: দেওয়ান জাকির হোসেন।
যোগাযোগ: পশ্চিম জিন্দাবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: natunsylhetnews@gmail.com
মুঠোফোন: ০১৭১৫৫০১১৫১
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পুর্ন বে-আইনি।



