বৃহস্পতিবার দিনভর সিলেটের আকাশে মেঘের ঘনঘটা জানান দিচ্ছিল বৃষ্টির। বিকেলে এক পসলা বৃষ্টি ভিজিয়ে গেলো সিলেটের মাটি। গাছে ও রাস্তায় জমে থাকা ধুলো কনা ধুয়ে দিয়ে গেলো ক্ষনিকের জন্য। বৃষ্টিতে পরিচ্ছন্ন হয় বৃক্ষ-লতা গুল্মরাজি।
রাত সাড়ে ১০ টার দিকে আবারো প্রকৃতিতে ধমকা হাওয়ায় শুরু হয় ধুলো ঝড়। এরপর থেমে থেমে বৃষ্টি হয় রাত ১২টা পর্যন্ত। এরপর গভীর রাত আড়াইটার দিকে সিলেটে ভারি বৃষ্টি হয়েছে। রাতে বৃষ্টিপাতের পরিমাপ ৩ দশমিক ৭ মিলিমিটার রেকর্ড করা হয়েছে।

কৃষকরা বলেন, চৈত্রের শুরুতে খরা থেকে রেহাই দিল স্বস্থির বৃষ্টি। এতোদিন বৃষ্টি না হওয়াতে দুশ্চিন্তায় ছিলেন কৃষককূল। প্রকৃতিতে স্বস্থির বৃষ্টিতে সেই শঙ্কা খানিকটা হলেও ভাল ফলনের আশার আলো দেখাচ্ছে। গাছ-গাছালিতে আসা লিচু, কাঁঠাল ও আম্রমুকুল ঝরে পড়া থেকে রক্ষা পেলো।
আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সিলেটসহ চার অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়াও বয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কেননা, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ হিমালয়ের পাদদেশীয় পশ্চিমবঙ্গ এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।
এ অবস্থায় শুক্রবার (২৫ মার্চ) সন্ধ্যা পর্যন্ত কুমিল্লা ও ঢাকা অঞ্চলসহ ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে।
এছাড়া সিলেটের আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা এবং আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। এরপর শনিবার (২৬ মার্চ) নাগাদ বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বর্ধিত পাঁচ দিনের আবহাওয়া সামান্য পরিবর্তন হতে পারে।
বৃহস্পতিবার সিলেটে দিনে সর্বোচ্চ ১০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে রাজশাহীতে ৩৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
সম্পাদক: এসএম নাসির উদ্দিন।
উপ সম্পাদক: দেওয়ান জাকির হোসেন।
যোগাযোগ: পশ্চিম জিন্দাবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: natunsylhetnews@gmail.com
মুঠোফোন: ০১৭১৫৫০১১৫১
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পুর্ন বে-আইনি।



