বাংলাদেশই বিশ্বের একমাত্র দেশ যারা মাতৃভাষার জন্য প্রাণ দিয়েছে। ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি বাংলা রক্ষার জন্য যেসব ভাষা শহীদরা রক্ত দিয়েছিলেন তাদের প্রতি সত্যিকারের সম্মান দেখানো হয়েছে ইউনেস্কোর ১৯৯৯ সালে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমে।
২২ ফেব্রুয়ারি মাল্টার একটি অভিজাত হলে দিনটিকে স্মরণ করে বক্তারা এসব কথা বলেন। শুরুতে কোরআন থেকে তেলাওয়াত ও গিতা পাঠ করা হয়। মাল্টা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাওসার আমিন- হাওলাদারের সভাপতিত্বে ২১শে ফেব্রুয়ারির অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সাংগঠনিক সম্পাদক রাজীব দাশ।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন মাল্টা আওয়ামী লীগের প্রধান উপদেষ্টা এস বি দাশ, বিশেষ অতিথি উপদেষ্টা বিপুল দাশ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তপন ঘোষ, সাংগঠনিক সম্পাদক মিঠুন, দপ্তর সম্পাদক আমান উল্লাহ, অর্থ সম্পাদক আল আমিন, যুবলীগ নেতা, দুর্জয়, সুনিল, উত্তম,ছাত্রলীগ নেতা জয়, খাইরুল, হৃদয়, মিরাজ খন্দকার, এম মিরাজ, সীমান্ত ছাড়াও প্রবাসী বাংলাদেশিরা উপস্থিতি ছিলেন।
বক্তারা বলেন, বাংলা ভাষার জন্য রক্ত দিয়েছে একমাত্র বাঙালি জাতি। বাংলাদেশ যতদিন বেঁচে থাকবে, বাংলা ভাষা যতদিন বেঁচে থাকবে ভাষা শহীদদের স্মরণে। ভাষা শহীদরা বিশ্বের বিস্ময় হয়ে থাকবে অনন্তকাল। পরে যৌথভাবে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়।
১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর। বাংলাদেশের সাফল্যের ঝুলিতে যোগ হয় এক অনন্য অর্জন। বাঙালির চেতনার প্রতীক, ভাষার জন্য আত্মত্যাগের দিন, ২১শে ফেব্রুয়ারি জাতীয় শহীদ দিবস পায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের মর্যাদা।
জাতিসংঘের সেই স্বীকৃতির পর থেকে পৃথিবীর নানা ভাষাভাষী মানুষ দিনটি পালন করছে। ভাষার জন্য বাঙালির আত্মত্যাগকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করার পাশাপাশি নিজস্ব ভাষা আর সংস্কৃতিকে লালন করার প্রয়োজনীয়তা বিশ্বব্যাপী আরও বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।
সম্পাদক: এসএম নাসির উদ্দিন।
উপ সম্পাদক: দেওয়ান জাকির হোসেন।
যোগাযোগ: পশ্চিম জিন্দাবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: natunsylhetnews@gmail.com
মুঠোফোন: ০১৭১৫৫০১১৫১
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পুর্ন বে-আইনি।



