পূর্ণতা পেয়েছে সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামের আউটার। মূল স্টেডিয়ামের মতো দুই পাশে আছে গ্রিন গ্যালারি। প্রেসবক্স, মাঠ, উইকেট সবই আন্তর্জাতিক মানের৷ সিলেট বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল বলছেন, আউটার স্টেডিয়ামেও আইসিসির ম্যাচ আয়োজনে আবেদন করা হয়েছে। শিগগিরই শুরু হবে ফ্লাড লাইটের কাজ৷ আর এই মাঠকে নিয়ে বড় পরিকল্পনা বিসিবির।
শুধু নামেই আন্তর্জাতিক নয়, পরিপাটি- ছিমছাম৷ ঢাকা কিংবা অন্য আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামের আউটারগুলো হয়তো কাঁদে নীরবে৷ অথচ সিলেট স্টেডিয়ামের আউটার দেখে যে কেউই মুগ্ধ হবে। প্রথম দর্শনে বে ওভাল কিংবা মাউন্ট মঙ্গানুয়ের সঙ্গে মিল খুঁজে পেলেও অবাক হওয়ার মতো থাকবে না কিছুই৷
শুরুটা ২০১৬ সালে ৩ একর জায়গার ওপর৷ যার পূর্ণতা পায় বছর দুয়েকের মধ্যেই। এখন এই মাঠেই আছে ১২টা উইকেট৷ অন্য সুযোগ সুবিধা বিবেচনা করলেও যা এগিয়ে থাকবে দেশের অনেক স্টেডিয়াম থেকে।
মুগ্ধতার এখানেই শেষ নয়৷ এই মাঠে একসঙ্গে অনুশীলন করতে পারবেন ৬০ ক্রিকেটার৷ পাশেই কংক্রিটের ৬টা উইকেটে৷ ফ্লাড লাইট স্থাপনেও চলছে আলোচনা। আউটারটা মনে ধরেছে বিসিবিরও৷ টুর্নামেন্টে কমিটির চেয়ারম্যানও ইঙ্গিত দিলেন ভবিষ্যৎ এই মাঠে বাড়বে ম্যাচের সংখ্যা৷
বিসিবির পরিচালক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল বলেন, ‘আমরা সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামের পাশে আমাদের নির্ধারিত একটি জায়গা রয়েছে, যেখানে ক্রিকেট বোর্ড ইতিমধ্যে ইঞ্জিনিয়ারের সঙ্গে কথা হয়েছে একটি একাডেমিক ভবনের কাজ করার জন্য। যার কাজও শুরু হয়েছে। ভবিষ্যতে এখানে ফ্লাডলাইট হবে। যখন আমাদের দেশে টেস্ট ক্রিকেট অনুষ্ঠিত হবে, তখন বিসিবি আমাদের গ্রাউন্ডকেই অগ্রাধিকার দিবে আমার আশা।’
বিসিএলে চলতি আসবের নর্থ জোন ও সাউথ জোনের ম্যাচ দিয়ে লিস্ট-এ ম্যাচে অভিষেক হয়েছে সিলেট আউটার স্টেডিয়ামের।
এসএ
সম্পাদক: এসএম নাসির উদ্দিন।
উপ সম্পাদক: দেওয়ান জাকির হোসেন।
যোগাযোগ: পশ্চিম জিন্দাবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: natunsylhetnews@gmail.com
মুঠোফোন: ০১৭১৫৫০১১৫১
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পুর্ন বে-আইনি।



