এসএসসির ফলাফলে সিলেট বোর্ডে সব সূচকে এগিয়ে রয়েছে মেয়েরা। পরিক্ষায় অংশ গ্রহণ থেকে হাসের পাসের হার এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতেও ছেলেদের থেকে কয়েকগুণ এগিয়ে মেয়েরা।
বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) প্রকাশি বোর্ডের ফলাফলে দেখা যায়, এ বছরের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে বোর্ডের পাসের ৯৬ দশমিক ৭৮ শতাংশ। তন্মধ্যে মেয়েদের পাসের হার ৯৭ দশমিক ১২ এবং ছেলেদের পাসের হার ৯৬ দশমিক ৩৫ শতাংশ।
বোর্ডের অধীনে এবার মোট ১ লাখ ২১ হাজার ১৪৮ জন পরিক্ষার্থী থাকলেও অংশ নেন ১ লাখ ১৯ হাজার ৫৫৩ জন। পরিক্ষায় অংশ নেওয়া ছেলে ৫৩ হাজার ৩৩২ এবং মেয়ে ৬৬ হাজার ২২১ জন। কৃতকার্য হওয়া ১ লাখ ১৫ হাজর ৭০০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ছেলে ৫১ হাজার ৩৮৬ এবং মেয়ে ৬৪ হাজার ৩১৪ জন। অর্থাৎ, ছেলেদের চেয়ে মেয়েদের পাসের হার বেশি।
গত বছর পাসের হারে ছেলেরা এগিয়ে ছিল। সে বছর ছেলেদের পাসের হার ছিল ৭৯.২৩ এবং মেয়েদের পাসের হার ছিল ৭৮.৪৬। এ বছর ছেলেদের টপকে গেছে মেয়েরা।
এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ৮৩৪ জন। গত বছরের মতো এবারো এই সূচকে মেয়েরা এগিয়ে রয়েছেন।জিপিএ-৫ প্রাপ্ত মেয়েদের সংখ্যা ২ হাজার ৮০৬ জন এবং ছেলেরা ২ হাজার ২৮ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে।
গত বছর (২০২০ সালে) জিপিএ-৫ প্রাপ্ত মেয়েদের সংখ্যা ছিল ২ হাজার ১৮২ জন এবং ছেলে ২ হাজার ৮১ জন।
এবার বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ছেলেদের মধ্যে ২১ হাজার ৪১৯ জন অংশ নিয়ে পাস করেন ২০ হাজার ৪৭৭ জন। এরমধ্যে ছেলেরা ৯ হাজার ৯৫০ জন অংশ নিয়ে পাস করেন ৯ হাজার ৪৮৫ জন। মেয়েরা ১১ হাজার ৫৪০ জন অংশ নিয়ে পাস করেন ১০ হাজার ৯৯২ জন।
মানবিকে ৮৮ হাজার ৬০৪ জন অংশ নিয়ে পাস করেন ৬৮ হাজার ১৭৭ জন। এরমধ্যে ছেলেরা ৩৮ হাজর ২২৯ জন অংশ নিয়ে পাস করেন ৩৭ হাজার ১৫ জন। মেয়েদের মধ্যে ৫০ হাজার ৩৭৫ জন অংশ নিয়ে ৪৯ হাজার ১৬২ জন পাস করেন।
আর ব্যবসা শিক্ষায় ৯ হাজার ৪৫৯ জন পরিক্ষা দিয়ে পাস করেন ৯ হাজার ৪৬ জন। তন্মধ্যে ছেলেরা ৫ হাজার ১৫৩ জন পরিক্ষা দিয়ে পাস করেন ৪ হাজার ৮৮৬ জন এবং মেয়েদের মধ্যে ৪ হাজার ৩০৬ জন অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছেন ৪ হাজার ১৬০।
সিলেট শিক্ষা বোর্ডের পরিক্ষা নিয়ন্ত্রক অরুণ চন্দ্র পাল বলেন, বোর্ডের অধীনে পরিক্ষায় পাসের হারে ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তিসহ সব সূচকে মেয়েরা এগিয়ে রয়েছেন।
সম্পাদক: এসএম নাসির উদ্দিন।
উপ সম্পাদক: দেওয়ান জাকির হোসেন।
যোগাযোগ: পশ্চিম জিন্দাবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: natunsylhetnews@gmail.com
মুঠোফোন: ০১৭১৫৫০১১৫১
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পুর্ন বে-আইনি।



