য়্যুভেন্তাসের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে যে ঘাটতি তার সবটাই ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর কারণে হয়েছে? দলের সাবেক গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি বুফন তো সেটাই বলছেন।
ফুটবল দুনিয়ায় তোলপাড়, রোনালদোর কারণে ডিএনএ নষ্ট ইতালিয়ান জায়ান্টদের। তাও এমন একজন এ মন্তব্য করেছেন যিনি রোনালদোর বাইসাইকেল কিকে বুঁদ হয়েছিলেন। ২০১৮ সালে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে তুরিনের বুড়িদের জালে সে গোল করেছিলেন রোনালদো, য়্যুভেন্তাসের গোলপোস্টের দায়িত্বে তখন বিশ্বসেরা বুফন।
আলোচিত ওই গোলের পর রোনালদোর প্রশংসাও করেন বুফন। খোদ য়্যুভেন্তাস সমর্থকরাও ওঠে দাঁড়িয়ে রোনালদোকে সম্মান দেখান। এরপর সে বছরই য়্যুভেন্তাসে পাড়ি জমান পর্তুগিজ তারকা। রোনালদো যাওয়ার পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগে য়্যুভেন্তাস সর্বোচ্চ খেলেছে কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত। অথচ ২০১৭ সালে রোনালদো যাওয়ার আগে প্রতিযোগিতাটির ফাইনালেও খেলেছিল তারা। রোনালদোর সময়ে দুটি লিগ জিতলেও গেল মৌসুম থেকে সেই ধারও যেন নেই য়্যুভেন্তাসের। বুফন সেই দায় দিচ্ছেন রোনালদোকে।
বার্সেলোনা যেমন মেসি দোষে দুষ্ট ছিল ঠিক তেমনি রোনালদোর প্রভাবের কথা বলছেন বুফন। পর্তুগিজ তারকা যে বিশ্বসেরা তাতে তো কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু তার ওপর তুরিনের ক্লাবটির যে নির্ভরতা তৈরি হয়েছিল, সেটাই এখন বাজে পারফরম্যান্সের মূল, মনে করেন বুফন। এ সম্পর্কে স্পেনের খেলাধুলাভিত্তিক টেলিভিশন টিইউডিএনকে এক সাক্ষাৎকারে বুফন বলেন, ‘য়্যুভেন্তাসে রোনালদোর প্রথম বছরে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতার সুযোগ ছিল। তখন আমি ছিলাম পিএসজিতে। বুঝতে পারছি না কি ঘটেছিল। যখন আমি ফিরে রোনালদোর সঙ্গে দুই বছর কাটালাম তখন আমরা ভালো করেছিলাম। কিন্তু আমি মনে করি রোনালদোর কারণে য়্যুভেন্তাস ডিএনএ হারিয়ে ফেলেছে।’
বুফন যোগ করেন, ‘আমরা ২০১৭ সালে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে পৌঁছেছিলাম। তখন আমরা একটা পূর্ণ দল হিসেবে খেলেছি। রোনালদো আসায় আমরা সেই একতাটা হারিয়ে ফেলেছি।’
অবশ্য বুফন এখন আর য়্যুভেন্তাসে নেই, এ বছরই পাড়ি দিয়েছেন তার সাবেক ক্লাব পার্মায়। যেখানে ১৯৯১ সালে সিনিয়র পর্যায়ে তার পেশাদার ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল।
সম্পাদক: এসএম নাসির উদ্দিন।
উপ সম্পাদক: দেওয়ান জাকির হোসেন।
যোগাযোগ: পশ্চিম জিন্দাবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: natunsylhetnews@gmail.com
মুঠোফোন: ০১৭১৫৫০১১৫১
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পুর্ন বে-আইনি।



