বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার হত্যা মামলার রায় মানুষের ন্যায় বিচারপ্রাপ্তির উদাহরণ বলে মন্তব্য করেছেন সিলেট বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ড মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন।
তিনি বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের পবিত্র সংবিধানে মানুষের মৌলিক অধিকারগুলো নিশ্চিত করেছিলেন। আর বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেই অধিকারগুলোকে বাস্তব রূপ দিচ্ছেন। ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে প্রধানমন্ত্রী মানবিকতা ও মানবাধিকারের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে শুক্রবার (১০ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় সিলেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে র্যালি পরবর্তী আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এরআগে দিবসটি উপলক্ষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে বের হওয়া র্যালী নগরের কোর্ট পয়েন্ট ঘুরে সমাবেশ স্থালে গিয়ে শেষ হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিভাগীয় কমিশনার ড. মোশাররফ আরও বলেন, বাংলাদেশ অনেক সূচকে উন্নতি করে বিশ্বের অনেক দেশকে ছাড়িয়ে গেছে। দেশে নারী-পুরুষ সবার অধিকার নিশ্চিত হয়েছে, ধনী দরিদ্র বৈষম্যও কমেছে। আরও কমিয়ে আনতে সরকার কাজ করছে। এর সুফল হিসেবে বলা যায়, তৃতীয় লিঙ্গের লোকজন, প্রতিবন্ধী এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীও সমান অধিকার ভোগ করছে।
‘বৈষম্য ঘোচাও, সাম্য বাড়াও, মানবাধিকারের সুরক্ষা দাও’এই প্রতিপাদ্যে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সিলেটের জেলা প্রশাসক এম কাজি এমদাদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা দেবজিৎ সিনহা, সিলেটের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন পিপিএম, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সিলেট জেলা ইউনিটের সাবেক কমান্ডার সুব্রত চক্রবর্তী জুয়েল, মহানগর ইউনিটের সাবেক কমান্ডার ভবতোষ রায় বর্মণ ও সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আল আজাদ প্রমুখ।
১৯৫০ সাল থেকে প্রতি বছর বিশ্বের সব দেশে দিবসটি পালিত হয়। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ দিবসটি পালন করে ১৯৪৮ সাল থেকে। দিবসকে কেন্দ্র করে সিলেটের জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনসহ বিভিন্ন সরকারি দফতর থেকে র্যালি বের করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এসে মূল র্যালিতে সম্পৃক্ত হয়।
সম্পাদক: এসএম নাসির উদ্দিন।
উপ সম্পাদক: দেওয়ান জাকির হোসেন।
যোগাযোগ: পশ্চিম জিন্দাবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: natunsylhetnews@gmail.com
মুঠোফোন: ০১৭১৫৫০১১৫১
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পুর্ন বে-আইনি।



