নতুন সিলেট প্রতিবেদক:: কোম্পানীগঞ্জে ধান ক্রয় নিয়ে সংঘর্ষে হারুন মিয়া (৪৫) নামে আহত এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। নিহত হারুন মিয়া উপজেলার ইছাকলস ইউনিয়নের পুটামারা গ্রামের মৃত সিরাজ মিয়ার ছেলে।
জানা যায়, বুধবার সংঘর্ষে হারুন মিয়াসহ অন্তত ১৫ জন আহত হন। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। হত্যার ঘটনায় জড়িত আইনুদ্দিন (৩০) নামে এক যুবকে আটক করেছে পুলিশ।
স্থানীয়রা জানান, নিহতের ছোট ভাই বাবুল মিয়ার স্ত্রী বোরো ধান কেনার জন্য ৬ মাস আগে গ্রামের নুর উদ্দিনকে ১০ হাজার টাকা অগ্রিম দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই টাকার বিনিময়ে নূর উদ্দিন বাবুল মিয়ার স্ত্রীকে ধান দিতে অনীহা প্রকাশ করে এবং ধান চাইতে গেলে আশ্রাব গালিগালাজ করে। গত বুধবার বিকেলে পুটামারা স্কুলের পশ্চিমে বাবুল মিয়ার স্ত্রী ধান শুকাচ্ছিলেন। এমন সময় নূর উদ্দিনসহ কয়েকজন এসে শুকনো ধান নিয়ে যেতে চাইলে ওই নারী বাধা দেন। তার আর্তচিৎকারে হারুন মিয়া ও তার সহোদর বাবুল মিয়াসহ কয়েকজন এগিয়ে আসলে নূর উদ্দিন ও তার সঙ্গীয়রা হামলা চালায়। এতে হারুন মিয়া, বাবুল মিয়া, মজনু মিয়া, শয়েস্তা মিয়া, সালেক মিয়া ওরফে আজাদ মিয়া, জুনেদ, আয়না মিয়া, নুরু মিয়া, আকন্দর আলীসহ অন্তত ১৫ জন আহত হন। আহতদের বুধবার রাতে ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলে পরদিন সকাল হারুন মিয়া মারা যান। এ ঘটনায় হারুন মিয়ার ভাই বাবুল মিয়া গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সংঘর্ষ ও হতাহতের ঘটনায় হারুন মিয়ার স্ত্রী বাদি হয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কেএম নজরুল বলেন, নিহতের ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং একজনকে আটক করা হয়েছে।
সম্পাদক: এসএম নাসির উদ্দিন।
উপ সম্পাদক: দেওয়ান জাকির হোসেন।
যোগাযোগ: পশ্চিম জিন্দাবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: natunsylhetnews@gmail.com
মুঠোফোন: ০১৭১৫৫০১১৫১
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পুর্ন বে-আইনি।



