খুলনার দৌলতপুর পাবলার নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজের ২৭ দিন পর গৃহবধূ রহিমা বেগমকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে ফরিদপুরের বোয়ালমারি এলাকার সৈয়দপুর গ্রামের একটি বাড়ি থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। গৃহবধূকে উদ্ধারের ঘটনার পর সব নাটকীয়তার অবসান হলো।
গত ২৭ আগষ্ট রাতে নগরীর দৌলতপুর পাবলার নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন রহিমা বেগম। গৃহবধূর সন্তানরা তাদের মাকে গুম করা হয়েছে এই মর্মে দৌলতপুর থানায় চার প্রতিবেশীকে আসামি করে মামলা করে।
এরপর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রহিমা বেগমের ছোট মেয়ে মরিয়ম মান্নান বিভিন্ন সময় স্ট্যাটাস দিয়ে তার মাকে গুমের খবর জানাতে থাকে। সবশেষ গত ২৩ সেপ্টেম্বর ময়মনসিংহে এক যুবতীর গলিত লাশের ছবি দেখে তাকে ‘মা ‘ হিসেবে দাবি করে মেয়ে মরিয়ম।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের ডেপুটি কমিশনার মোল্লা জাহাঙ্গীর আলম জানান, দৌলতপুর থানা পুলিশের একটি দল শনিবার রাত পৌনে এগারোটায় বোয়ালমারী থানা পুলিশের সহায়তায় সৈয়দপুর গ্রামের আবদুল কুদ্দুসের বাড়ি থেকে উদ্ধার করে। সেখানে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন বলে জানান তিনি।
উদ্ধারের পর রহিমা বেগমকে নিয়ে খুলনার দৌলতপুর থানার উদ্দেশে রওয়ানা দিয়েছে পুলিশ।
গত ২৭ আগস্ট রাত ১০টার দিকে খুলনা মহানগরীর মহেশ্বরপাশার উত্তর বণিকপাড়ার নিজ বাসা থেকে টিউবওয়েলে পানি আনতে নিয়ে নিখোঁজ হন রহিমা বেগম। এরপর আর ঘরে ফেরেননি তিনি।
স্বামী ও ভাড়াটিয়ারা নলকূপের পাশে ঝোপঝাড়ে তার ব্যবহৃত ওড়না, স্যান্ডেল ও বালতি দেখতে পান। সেই রাতে মাকে খুঁজতে আত্মীয়-স্বজন, আশপাশসহ সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ করেন সন্তানরা।
রহিমার ৬ সন্তান কখনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, কখনো মাইকিং, কখনো আত্মীয়-স্বজনদের দ্বারস্থ হয়েছেন। সংবাদ সম্মেলন, মানববন্ধনের পর মাকে খুঁজে পেতে গত ১৪ সেপ্টেম্বর দৌলতপুর থানায় মামলাও দায়ের করেন।
সম্পাদক: এসএম নাসির উদ্দিন।
উপ সম্পাদক: দেওয়ান জাকির হোসেন।
যোগাযোগ: পশ্চিম জিন্দাবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: natunsylhetnews@gmail.com
মুঠোফোন: ০১৭১৫৫০১১৫১
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পুর্ন বে-আইনি।



