আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে বাছাইয়ে শুভ সূচনা করে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। দ্বিতীয় ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষেও জয় অব্যাহত রয়েছে বাঘিনীদের।
সোমবার রাতে আবু ধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে টাইগ্রেসদের বোলিং জাদুতে মাত্র ৭৭ রানে গুটিয়ে যায় স্কটিশ মেয়েরা। জবাবে ৬ উইকেট আর ৪২ বল হাতে রেখেই জয় বন্দরে পৌঁছায় নিগার সুলতানা জ্যোতির দল।
‘এ’ গ্রুপ থেকে টানা দুই জয়ে চার পয়েন্ট নিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই শেষ বাছাইয়ের সেমিতে পৌঁছেছে বাংলাদেশ নারী দল। শেষ চারের লড়াইয়ে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রোটিয়াদের হারাতে পারলেই বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত হবে বাংলাদেশের।
আগামীকাল গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্র নারী ক্রিকেট দলের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। ম্যাচটি শুরু হবে বিকাল ৫টায়।
সোমবার স্কটল্যান্ডের দেয়া স্বল্প রানের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে যুতসই শুরু পায়নি বাংলাদেশ। দলীয় ১০ রানে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার শামীমা সুলতানা (৭)। দ্বিতীয় উইকেটে অধিনায়ক জ্যোতির সঙ্গে ৩৮ রানের জুটি গড়েন মুর্শিদা খাতুন। ১৬ বলে ১৫ রানে মুর্শিদা আউট হলে ভাঙে এই জুটি। ম্যাচ জয়ী ইনিংস খেলেন অধিনায়ক জ্যোতি।
৪৩ বলে ৫ বাউন্ডারিতে ৩৪ রান করেন তিনি। আগের ম্যাচে ফিফটি হাঁকিয়েছিলেন জ্যোতি। রুমানা আহমেদ ৭ বলে ১১ রান করেন। সোবাহানা মোস্তারি ৫ বলে ৮ রান করে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন। অপরাজিত ছিলেন সোহেলি আকতারও। তবে স্ট্রাইক পাননি তিনি।
ব্যাটিংয়ে স্ট্রাইক না পেলেও বল হাতে দাপট দেখিয়েছেন সোহেলি। এই স্পিনারের ঘূর্ণিতেই কুপোকাত হয়ে যায় স্কটল্যান্ড। ৪ ওভারে মাত্র ৭ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হন সোহেলি।
আগে ব্যাটিং নেমে দলীয় ১৩ রানে প্রথম উইকেট হারায় স্কটল্যান্ড। ৯ বলে ১২রান করে সানজিদা আকতার মেঘলার উইকেটে পরিণত হন ওপেনার এইলসা লিস্টার। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে স্কটিশরা। বাকি ১০ ব্যাটারের মধ্যে শুধু দুজন দুই অঙ্কের ঘর স্পর্শ করতে পারেন। ২৩ বলে ১৪ রান করেন সারাহ ব্রিইস। ২৩ বলে ২২ রান করেন লর্না জ্যাক।
সোহেলি আকতারের আগুনে বোলিংয়ের ম্যাচে ২ উইকেট পান নাহিদা আকতার। ২.৩ ওভার বল করে ১২ রান দেন তিনি। একটি করে উইকেট পান সালমা খাতুন ও সানজিদা আকতার মেঘলা।
সম্পাদক: এসএম নাসির উদ্দিন।
উপ সম্পাদক: দেওয়ান জাকির হোসেন।
যোগাযোগ: পশ্চিম জিন্দাবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: natunsylhetnews@gmail.com
মুঠোফোন: ০১৭১৫৫০১১৫১
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পুর্ন বে-আইনি।



