সিলেট নগরে একটি দোকান থেকে শিশুর জন্য কেনা প্রাণ চকলেটে মিললো নর্দমার কীট। যেসব কীটের বসবাস সাধারণত মলমূত্র বা নর্দমায়।
এ বিষয়ে ভোক্তভোগী ক্রেতা মঙ্গলবার (০২ আগস্ট ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ে অভিযোগ দায়ের করেছেন।
জানা যায়, মঙ্গলবার (২আগস্ট) কুমারপাড়া আবাসিক এলাকার বাসিন্দা সংবাদকর্মী জুলফিকার তাজুল স্থানীয় হাবিব ডিপার্টমেন্টাল স্টোর থেকেএকটি চকলেট কেনেন। বাসায় গিয়ে তার ১৮ মাস বয়সী কন্যা সন্তানের হাতে চকলেট ধরিয়ে দিয়ে কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েন তিনি।
এমন সময় শিশুর কান্নার শব্দে চকলেটটি হাতে নিয়ে দেখেন পেস্ট থেকে পরপর কয়েকটি নর্দমার কীট বের হয়ে আসছে। সঙ্গে সঙ্গে চকলেটটি তার শিশুর হাত থেকে মেঝেতে ফেলে দেন। এরপর পোকা থাকাবস্থায় চকলেট নিয়ে ছুটে যান দোকানে।
চকলেটের প্যাকেটের ভেতরে থাকা পোকা দেখান দোকান মালিককে। তাৎক্ষণিক দোকানের মালিক প্রাণ কোম্পানির সিলেট অঞ্চলের মার্কেটিং কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবহিত করেন।
চকলেটের ভেতরে পোকা পাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে হাবিব স্টোরের স্বত্ত্বাধিকারী হাবিব হোসেন বলেন, ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। একটি নামি-দামি কোম্পানির পণ্যের প্যাকেটে পোকা পাওয়া অসতর্কতারই প্রমাণ। এই কারণে তার দোকানেরও সুনামও নষ্ট হয়েছে।
তিনি কোম্পানির কাছে প্রতিকার চেয়েছেন জানিয়ে বলেন, এরইমধ্যে প্রাণ কোম্পানীর চকলেটসহ সবগুলো শিশু পণ্য ফেরত দিতে উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি।
এদিকে, মঙ্গলবার (২ জুলাই) ভোক্তাভোগী জুলফিকার তাজুল এ ঘটনার প্রতিকার চেয়ে ভোক্তা অধিদপ্তরে অভিযোগ দাখিল করেছেন।
এ বিষয়ে অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরেরর সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আমিরুল মাসুদ বলেন, আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান করে গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে।
সম্পাদক: এসএম নাসির উদ্দিন।
উপ সম্পাদক: দেওয়ান জাকির হোসেন।
যোগাযোগ: পশ্চিম জিন্দাবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: natunsylhetnews@gmail.com
মুঠোফোন: ০১৭১৫৫০১১৫১
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পুর্ন বে-আইনি।



