এবার চাঁদে জমি কিনলেন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত সিলেটী যুবক সুজন আহমেদ। গত সোমবার তিনি এই জমি কিনেছেন। তিনি সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার পাড়ুয়া (বদিকোনা) গ্রামের বাসিন্দা। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের নিউজার্সির পেটার্সনে বসবাস করেন।
সুজন আহমেদের পক্ষে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মার্কিন নাগরিক ডেনিস হোপের ‘লুনার অ্যাম্বাসি’থেকে ৫৫ ডলারের বিনিময়ে এক একর জমি কিনেন সুজন আহমেদ।
সুজন জমি কেনার চুক্তিনামা, স্যাটেলাইন থেকে নেওয়া কেনা জমির একটি স্যাটেলাইট ছবি এবং জমিটির ভৌগোলিক অবস্থান ও ‘মৌজা-পর্চার’ নথিও ওই প্রতিষ্ঠান হস্তান্তর করেছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সুজন আহমেদ জানান, ‘মানুষ স্বপ্ন বিলাসী, এর ব্যতিক্রম আমিও নই। জানি না চাঁদে যাওয়া কতটা সহজতম হবে; নাইবা গেলাম! যেতে পারে আমার জেনারেশন অথবা পরের জেনারেশন।
বিজ্ঞানীরা সকল ধরনের চেষ্টা করে যাচ্ছেন। চাঁদে মানব জাতির বসবাসের জন্য। হয়তোবা একদিন তারা সফল হবেন।’চাঁদে জমি কেনার জন্য মার্কিন নাগরিক ডেনিস হোপের ‘লুনার অ্যাম্বাসি’ অনেক জনপ্রিয় কোম্পানি।
তাদের তথ্যানুযায়ী, চাঁদে জমির দাম প্রতি একর ২৪ দশমিক ৯৯ ডলার থেকে সর্বোচ্চ ৪৯৯ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ২ হাজার ১২৫ টাকা থেকে ৪২ হাজার ৪৩৭ টাকা।
যদিও পৃথিবীর বাইরে চাঁদ কিংবা মহাকাশের অন্য কোনো গ্রহ পুরো মানবজাতির সম্পদ।কোনো ব্যক্তি বা জাতি এটি কিনতে পারেন না। তবে কিছু কিছু ওয়েবসাইট উপহার দেওয়ার জন্য চাঁদে জমি বিক্রি করে থাকেন। এমনকি সার্টিফিকেটও দেন।
এরআগে খুলনায় ষষ্ঠ বিবাহবার্ষিকীতে ভালোবেসে স্ত্রী ডা. ইসরাত টুম্পার হাতে চাঁদের জমির দলিল তুলে দেন তাঁর স্বামী এম ডি অসীম। স্ত্রীকে চাঁদ এনে দিতে না পারলেও চাঁদের বুকে এক টুকরো জমি কিনে দিতে পেরে নিজের খুশির কথা ব্যক্ত করেছিলেন অসীম। এবার সিলেটী যুবক সুজন চাঁদে এক খন্ড জমি কিনলেন।
সম্পাদক: এসএম নাসির উদ্দিন।
উপ সম্পাদক: দেওয়ান জাকির হোসেন।
যোগাযোগ: পশ্চিম জিন্দাবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: natunsylhetnews@gmail.com
মুঠোফোন: ০১৭১৫৫০১১৫১
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পুর্ন বে-আইনি।



