সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে রাতের আধারে সজল দাস (৩৮) নামে এক দোকান কর্মচারীকে হত্যা করা হয়েছে।
বুধবার (২০ জুলাই) দিনগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার ঘিলাছড়া ইউনিয়নের মোকামবাজারে এ ঘটনা ঘটে।
শারীরিক প্রতিবন্ধী নিহত সজল দাস মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার ভাটেরা ইউনিয়নের ভাটেরা এলাকায়। তিনি প্রায় ২০ বছর ধরে মোকামবাজার নিশী বাবু নামক এক ব্যবসায়ীর দোকানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফেঞ্চুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাফায়াত হোসেন বলেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) ভোরেই জড়িত ৫ যুবককে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
আটক রা হলেন- উপজেলার ঘিলাছড়ার ইউনিয়নের পূর্ব যুধিষ্ঠিপুর (ঘাটেরবাজার) এলাকার মজম্মিল আলীর ছেলে আতিক (২৫), একই গ্রামের রহমত আলীর ছেলে দিপু (২১), মধ্য যুধিষ্ঠিপুরের কামাল মিয়ার ছেলে জুবেল (১৭), মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা গ্রামের মৃত দছির আলীর ছেলে শাকিল (১৯) ও মিয়াধন মিয়ার ছেলে সুমন আহমেদ (২২)।
সূত্র জানায়, শারীরিক প্রতিবন্ধী সজলকে ছেলের মতো লালন করেন দোকানী নিশি বাবু। নিহতের বাড়ি কুলাউড়া উপজেলায় হলেও প্রায় ২০ বছর ধরে ঘিলাছড়ার মোকামবাজারে থাকতেন নিশি বাবুর বাড়িতে থাকতেন এবং দোকান চালাতেন।
ফেঞ্চুগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আশরাফুল ইসলাম জুয়েল বলেন, ঘটনার পর রাতেই ওসি শাফায়াত হোসেনের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে পাঁচ জনকে আটক করা হয়। আটকদের মধ্যে দিপু ও আতিক প্রায়ই দোকানে আসতো। বাকিতে জিনিসপত্র নিতো। বাকি টাকা না দেওয়ায় সজলের সঙ্গে তাদের মনোমালিন্য হয়। এরই জের ধরে বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাদের পাঁচ জন দোকানের সামনে অবস্থান করে। ঘটনার সময় সজল দোকান বন্ধ করাতে গেলে যুবকদের ৪ জন ভেতরে ঢুকে ঝাপটে ধরে গলায় গামছা পেঁচিয়ে ফাঁস লাগিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে এবং একজন বাইরে দাঁড়িয়ে তখন পাহারা দিচ্ছিল।
এসআই জুয়েল আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে গ্রেফতারদের মধ্যে আতিক হত্যাকাণ্ডের হোতা। হত্যার পর দোকানে চুরিও সংঘটিত হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তাছাড়া আর কেউ জড়িত কিনা তথ্য উদ্ধারে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
সম্পাদক: এসএম নাসির উদ্দিন।
উপ সম্পাদক: দেওয়ান জাকির হোসেন।
যোগাযোগ: পশ্চিম জিন্দাবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: natunsylhetnews@gmail.com
মুঠোফোন: ০১৭১৫৫০১১৫১
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পুর্ন বে-আইনি।



