ভয়াবহ বন্যায় সিলেট জেলার বিশ্বনাথ উপজেলায় ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে একজন পানিতে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটে, দুজন নৌকা ডুবে ও দুজন প্রবল স্রোতে পড়ে মারা যান। এদের মধ্যে এক শিশুও রয়েছে।মঙ্গলবার (২১ জুন) বিশ্বনাথ উপজেলা প্রশাসন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুসরাত জাহান জানান, দ্বিতীয় দফা বন্যায় বিশ্বনাথে এ পর্যন্ত ৫ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে একজন পানিতে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটে, দুই নারী নৌকার ধাক্কায় নৌকা ডুবে এবং মায়ের কোল থেকে এক বছরের শিশু সন্তান পানিতে পড়ে স্রোতে ভেসে গিয়ে মৃত্যু হয়। এছাড়াও একজন পুুরুষ পানির স্রোতে হারিয়ে গেলে ৩ দিন পর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নুসরাত জাহান আরও বলেন, এর বাইরেও আরও ঘটনা ঘটতে পারে। মানুষজন নিজে থেকে পুলিশ বা উপজেলা প্রশাসনকে এসব বিষয় জানায় না। আমরা নিজেদের মতো করে তথ্য সংগ্রহ করি।
তবে স্থানীয়রা জানান, বিদ্যুৎ না থাকায় মোবাইল নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন ছিল পুরো উপজেলা। ফলে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় অনেক খবর আড়ালে রয়ে গেছে। ফলে মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন এলাকা থেকে বিচ্ছিন্ন ভাবে মৃত্যুর খবর শোনা যাচ্ছে।
জানা গেছে, ভারি বর্ষণ ও উজানের ঢলে গত শুক্রবার আকস্মিক বন্যায় প্লাবিত হয় বিশ্বনাথ উপজেলার বেশ কয়েকটি ইউনিয়ন। বর্তমানে কোথাও উন্নতি আবার কোথাও অবনতি হয়েছে। কিছু কিছু এলাকায় পানি কমলেও নতুন করে পানিবন্দি রয়েছেন ১৮টি গ্রামের হাজার হাজার মানুষ।
পানি রয়েছে মীর্জার গাঁও, মাধবপুর, মাহতাবপুর ও রসুলপুর গ্রামে। অবনতি হয়েছে খাজাঞ্চি ইউনিয়নে। নতুন করে পনিবন্দি হয়েছেন এ ইউনিয়নের ১৮টি গ্রামের মানুষ। গ্রামগুলো হলো প্রতাবপুর, নোয়ারাই, কুমারপাড়া, টিমাইঘর, হামদরচক, প্রয়াগমহল, বাদে কাবিলপুর, ভাটপাড়া, বাবু নগর, দ্বীপবন্ধ পশ্চিমপাড়া, নোয়াগাঁও, রঘুপুর, কিশেরপুর, লালার গাঁও, রামাইচক, তবলপুর, খালপাড় ও পূষণী গুচ্ছগ্রাম।
সম্পাদক: এসএম নাসির উদ্দিন।
উপ সম্পাদক: দেওয়ান জাকির হোসেন।
যোগাযোগ: পশ্চিম জিন্দাবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: natunsylhetnews@gmail.com
মুঠোফোন: ০১৭১৫৫০১১৫১
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পুর্ন বে-আইনি।



