ফিনালিসিমায় মাঠ জুড়ে ছিল লিওনেল মেসির বিচরণ। দারুণ কয়েকটি শটে লক্ষ্যভেদ গোল করতে ব্যর্থ হলেও দুটি গোল করিয়েছেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক। গোল ক্ষুধা, অ্যাসিস্ট্যান্স, বল দখলের লড়াই- অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে ম্যাচসেরা হয়েছেন মেসি।
ফিনালিসিমায় গোটা ম্যাচে আধিপত্য বিস্তার করে আর্জেন্টিনা। সামনে থেকে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন অধিনায়ক মেসি।
মেসির দুর্দান্ত পাসে ২৮তম মিনিটে লিড নেয় আর্জেন্টিনা। সতীর্থের পাস ধরে বাঁ দিক দিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন তিনি। ইতালি ডিফেন্ডার জিওভান্নি দি লরেন্সোকে পরাস্ত করে গোলমুখে বল বাড়ান মেসি। দারুণ দক্ষতায় বল জালে জড়ান লাউতারো মার্টিনেজ।
ডি মারিয়ার গোলে ২-০ ব্যবধানে প্রথমার্ধ শেষ করে আর্জেন্টিনা। বিরতির পর আরো বিধ্বংসী হয়ে ওঠেন মেসি। তিন মিনিটের মধ্যে মেসির দুটি প্রচেষ্টা ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মা। পরে ক্লাব সতীর্থের আরেকটি শট ডান দিক দিয়ে ঝাঁপিয়ে ঠেকান ইতালির গোলরক্ষক।
যোগ করা সময়ে মেসির অ্যাসিস্টেই গোল পান বদলি নামা পাওলো দিবালা।
মেসিকে ম্যাচসেরা বেছে নেয়ার কারণ ব্যাখ্যা করেছে উয়েফার টেকনিক্যাল অবজারভার প্যানেল, ‘শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সে ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ করেছে। লাউতারো মার্টিনেজের গোলে সহায়তা এবং সতীর্থদের জন্য আরও সুযোগ তৈরি করতে সে দারুণ দক্ষতা দেখিয়েছে। তার গোল করতে না পারাটা ছিল দুর্ভাগ্যজনক। ওয়েম্বলি দর্শকদের সামনে সে মাস্টারক্লাস পারফরম্যান্স তুলে ধরেছে; যা ছিল দারুণ উপভোগ্য।’
তবে ফ্রি-কিকেও সুযোগ এসেছিল মেসির। সুবিধাজনক স্থান থেকেও জালের দেখা পাননি পিএসজি তারকা। ম্যাচশেষে এ বিষয়ে মেসি বলেন, ‘আমরা গতকাল (মঙ্গলবার) যখন অনুশীলন করছিলাম, তারা আমার বল বদলে দিয়েছে। প্রতিদিনই আরেকটি বল দিয়ে অনুশীলন করতে হয়েছে। বলটি একটু ভারী এবং আলাদা ছিল। কাল থেকেই এ নিয়ে বিরক্ত আমি। অন্য বলটা সে তুলনায় ভালো ছিল। তবে এটা কোনো অজুহাত নয়।’
সম্পাদক: এসএম নাসির উদ্দিন।
উপ সম্পাদক: দেওয়ান জাকির হোসেন।
যোগাযোগ: পশ্চিম জিন্দাবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: natunsylhetnews@gmail.com
মুঠোফোন: ০১৭১৫৫০১১৫১
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পুর্ন বে-আইনি।



